artk

স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, আগষ্ট ২৭, ২০১৯ ৮:৫৩

জাতীয় কবি নজরুলের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী

media

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী মঙ্গলবার। ১৯৭৬ সালের আগস্ট মাসে বাংলা ১২ ভাদ্র তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। 

জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচারের উদ্যোগ নিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে শোভাযাত্রা সহকারে কবির সমাধি প্রাঙ্গণে গমন, পুষ্পার্পণ এবং ফাতেহা পাঠ ও পরে কবির মাজার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা। বাংলা একাডেমি কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে একক বক্তৃতার আয়োজন করেছে। বিকাল ৪টায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে কবির সমাধিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিত অংশগ্রহণ করবেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।

বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস।

নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করে। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথিকৃৎ লেখক। তাঁর লেখনি জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। তাঁর কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে স্বপরিবারে সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশে তাঁর বসবাসের ব্যবস্থা করেন। ধানমন্ডিতে কবির জন্য একটি বাড়ি প্রদান করেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলায় সেরা হুয়াওয়ে ধর্ষণ ঠেকাতে কমিশন গঠন করার নির্দেশ হাইকোর্টের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ সরকারি চাকরিজীবী ১২ লাখ, পদ শূন্য তিন লাখ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ কাস্টমস দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন বিএনপি নিশ্চিত পরাজয় জেনে আবোল-তাবোল বলছে: কাদের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক উত্থানে রেকর্ড দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় প্রথম লাহোর তৃতীয় ঢাকা নাম্বার ওয়ান পাকিস্তানকে হারাতে মরিয়া টাইগাররা বিসিবি সভাপতি পাপনসহ পরিচালকরাও যাচ্ছেন পাকিস্তানে ইজতেমায় গিয়েছিলেন সাকিব-মুশফিকরা অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২ ফেব্রুয়ারি স্মার্ট ফোনের ধারণা বদলে দিতে আসছে ব্ল্যাক শার্ক থ্রি এসএসসি পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ টাইগারদের জন্য পাকিস্তানে নিরাপত্তা ১০ হাজার পুলিশ কয়লার ব্যবহার থাকছে না জার্মানিতে এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসায় পূর্ণ সহায়তা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বুধবার থেকে ই-পাসপোর্ট, মিলবে আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ীতে মতিউর রহমানসহ ৬ জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ সৌদি থেকে একদিনেই ফেরত ২২৪ বাংলাদেশি বাবার মৃত্যুর ৭ দিনের মাথায় বাসচাপায় নিহত ছেলে পরোয়ানার সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোনো সম্পর্ক নেই: তথ্যমন্ত্রী ফরিদপুরে ঘুমন্ত মা-মেয়ের মৃত্যু আগুনে পুড়ে সৌদি ধনকুবেরের সঙ্গে রিয়ান্নার প্রণয়ের যবনিকা শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল না: শেখ হাসিনা নির্বাচন কমিশন একেবারেই ব্যর্থ ও অযোগ্য: মির্জা ফখরুল প্রথম আলো সম্পাদকসহ ৫ জনের জামিন আবেদন যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে একই পরিবারের নিহত ৪