artk
সোমবার, সেপ্টেম্বার ২৩, ২০১৯ ৮:০৬   |  ৮,আশ্বিন ১৪২৬

নিউজ ডেস্ক

শুক্রবার, আগষ্ট ২৩, ২০১৯ ১০:৫৮

বউ কথা কও

media

বউ কথা কও একাকী বা জোড়ায় বিচরণ করে। শুঁয়াপোকা, ঘাসফড়িং, পঙ্গপাল, উড়ন্ত উইপোকা, ফল, গিরগিটি খায়। ‘বুকো-টাকো-বুকো-টাকো…’ স্বরে ডাকে, যা কতকটা বউ কথা কও শোনায়।

‘ভারতীয় কোকিল’ বা ‘বউ কথা কও’ গ্রীষ্মের প্রজনন পরিযায়ী পাখি। কোকিল গোত্রীয় পাখি পরিবারের এ সদস্যের ইংরেজি নাম Indian Cuckoo। বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশ, দ‌ক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন, কোরিয়া, জাপান, ফিলিপাইন ও রাশিয়ায় দেখা যায়।

একাকী, নিভৃতচারী ও লাজুক পাখি হিসেবে এর পরিচিতি রয়েছে। বনাঞ্চলসহ উন্মুক্ত গাছ-গাছালিপূর্ণ এলাকা থেকে শুরু করে ৩,৬০০ মিটার উঁচুতেও এদের দেখা যায়।

বউ কথা কও পাখিটি ৩০ থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার লম্বা হয় এরা। ওজন ১২০-১৩০ গ্রাম। স্ত্রী-পুরুষের পালকের রং ভিন্ন হলেও দেখতে অনেকটা একই রকম লাগে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ পাখির দেহের উপরিভাগ ধূসর বাদামি। গলা ও বুকের ওপরটা বাদামি ছাই। লেজে রয়েছে চওড়া কালচে ডোরা। স্ত্রী পাখির গলা ফিকে ধূসর। ধূসর বুকের গোড়ায় লালচে পীতাভ আমেজ। চোখের মণি হালকা বাদামী থেকে লোহিত আকারের হয়ে থাকে। ঠোঁট কালো। পা, আঙুল ও নখ হলুদ। স্ত্রী বউ কথা কও পাখি সনাক্তকরণের সহজ উপায় হল, পুরুষের তুলনায় এদের গলা, বুক ও লেজের দিক হালকা ধূসর বর্ণের হয়। পেটের অংশটুকু সরু থাকে।

বউ কথা কও একাকী বা জোড়ায় বিচরণ করে। শুঁয়াপোকা, ঘাসফড়িং, পঙ্গপাল, উড়ন্ত উইপোকা, ফল, গিরগিটি খায়। ‘বুকো-টাকো-বুকো-টাকো…’ স্বরে ডাকে, যা কতকটা বউ কথা কও শোনায়।

পাখিটি অতি উচ্চৈস্বরে সুর করে ডেকে ওঠে। সাধারণভাবে তাদের ডাকে যে চারটি বোল শনাক্ত করা হয়ে থাকে, সেগুলো শুনতে লাগে অনেকটা – অরেঞ্জ-পিকো, বুকো-টাকো-বুকো-টাকো, ক্রসওয়ার্ড পাজল বা ওয়ান মোর বোটল। অঞ্চলভেদে সুরের ভিন্নতা খুব কমই দেখা যায়। বাংলা ভাষায় বুকো-টাকো-বুকো-টাকো-ই আঞ্চলিকভাবে বৌ কথা কও নামে অভিহিত করা হয়। চীনে এ সুরটির মাধ্যমে শেষ থেকে জেগে ওঠাকে নির্দেশ করে। ভারতের কাঙ্গরা উপত্যকায় পাখির ডাককে হোয়ার ইজ মাই শিপ নামে শোনা যায়, যার অর্থ হচ্ছে মৃত রাখালের আত্মা।

বউ কথা কও পরজীবী পাখি হিসেবে পরিচিত। স্ত্রীজাতীয় পাখিটি একটিমাত্র ডিম পাড়ে। ফিঙে এবং কাকের ন্যায় কালো পাখির বাসায় ডিম পেড়ে উধাও হয়ে যায়। অবশ্য ডিম পাড়ার পূর্বে ফিঙে অথবা কাকের একটি ডিম খেয়ে ফেলে কিংবা নীচে ফেলে দেয়। চীনের উত্তরাংশে পাখিটির ডিম পাড়ার মৌসুম হচ্ছে মে থেকে জুলাই, ভারতীয় উপমহাদেশে মার্চ থেকে আগস্ট, বার্মায় জানুয়ারি থেকে জুন এবং মালয় উপত্যকায় জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়কাল। ১২ দিন অতিবাহিত হবার পর ডিম ফুটে বাদামী বর্ণের বাচ্চা জন্মে। আমুর এলাকায় ১৪ দিন সময় ব্যয় হয়। ছানা উড়তে শেখে ১৮-২০ দিনে। আয়ুষ্কাল প্রায় ৭ বছর।  সূত্র: উইকিপিডিয়া

মুশফিকের চেয়ে লিটন ফিল্ডিংয়ে ভালো! স্পা সেন্টারে অভিযান: রিমান্ডে ২ পুরুষ, কারাগারে ১৬ নারী ফাইনালে সেরা পারফরম্যান্স দেখতে চান প্রধান কোচ ডমিঙ্গো জয় নিয়েই দেশে ফিরতে চায় আফগানরা বাঘারপাড়ায় দুস্থদের চাল নিয়ে নয়ছয় ছাত্রদলের নতুন কমিটির কার্যক্রমে আদালতের স্থগিতাদেশ চীন সফরে তালেবান প্রতিনিধি দল ক্যাসিনোয় জড়িত কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেয়নি জমি দখলের অভিযোগে মোসাদ্দেক আলী ফালুর বিরুদ্ধে মামলা হবিগঞ্জে সাংবাদিক হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন ক্যাসিনো-জুয়া: ফু-ওয়াং ক্লাবে পুলিশের অভিযান হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস শেয়ার দেয়া যাবে ফেসবুকে আশুগঞ্জ পাওয়ার বন্ডের আইপিও আবেদন শুরু কেনিয়ায় স্কুল ধসে পড়ে ৭ শিশুর মৃত্যু মালয়েশিয়ার হাসপাতালে জয়নাল হাজারী চাঙ্গা পুঁজিবাজার রোহিঙ্গাদের এনআইডি: নির্বাচন কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে দুদক মাছ উৎপাদনে বিশ্বে অষ্টম স্থানে বাংলাদেশ খুলনায় ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা আফগানিস্তানে বিয়ের অনুষ্ঠানে সেনা হামলা: নিহত ৩৫ ‘গডফাদার-গ্র্যান্ডফাদার যারাই অপরাধ করবে শাস্তি পেতে হবে’ মাদক-দুর্নীতির চক্র না ভাঙ্গা পর্যন্ত অভিযান চলবে: কাদের ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, সাংবাদিকসহ আহত ১৫ যুবলীগ নেতা শামীমের ব্যাংক হিসাবে ৩০০ কোটি টাকা জুয়া থেকে হুইপের আয় ১৮০ কোটি টাকা, দাবি পুলিশ পরিদর্শকের ‘পুলিশের ওপর হামলায় ব্যবহৃত বোমার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের মিল রয়েছে’ খাগড়াছড়িতে সড়কের পাশে অজ্ঞাত নারীর লাশ নিউ ইয়র্ক আ.লীগের সেক্রেটারি ইমদাদ গ্রেপ্তার ভিসি’র পদত্যাগের দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা ফতুল্লায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ