artk
রোববার, নভেম্বার ১৭, ২০১৯ ২:৩৭   |  ৩,অগ্রহায়ণ ১৪২৬

নিউজ ডেস্ক

শুক্রবার, আগষ্ট ২৩, ২০১৯ ১০:৫৮

বউ কথা কও

media

বউ কথা কও একাকী বা জোড়ায় বিচরণ করে। শুঁয়াপোকা, ঘাসফড়িং, পঙ্গপাল, উড়ন্ত উইপোকা, ফল, গিরগিটি খায়। ‘বুকো-টাকো-বুকো-টাকো…’ স্বরে ডাকে, যা কতকটা বউ কথা কও শোনায়।

‘ভারতীয় কোকিল’ বা ‘বউ কথা কও’ গ্রীষ্মের প্রজনন পরিযায়ী পাখি। কোকিল গোত্রীয় পাখি পরিবারের এ সদস্যের ইংরেজি নাম Indian Cuckoo। বাংলাদেশসহ ভারতীয় উপমহাদেশ, দ‌ক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন, কোরিয়া, জাপান, ফিলিপাইন ও রাশিয়ায় দেখা যায়।

একাকী, নিভৃতচারী ও লাজুক পাখি হিসেবে এর পরিচিতি রয়েছে। বনাঞ্চলসহ উন্মুক্ত গাছ-গাছালিপূর্ণ এলাকা থেকে শুরু করে ৩,৬০০ মিটার উঁচুতেও এদের দেখা যায়।

বউ কথা কও পাখিটি ৩০ থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার লম্বা হয় এরা। ওজন ১২০-১৩০ গ্রাম। স্ত্রী-পুরুষের পালকের রং ভিন্ন হলেও দেখতে অনেকটা একই রকম লাগে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ পাখির দেহের উপরিভাগ ধূসর বাদামি। গলা ও বুকের ওপরটা বাদামি ছাই। লেজে রয়েছে চওড়া কালচে ডোরা। স্ত্রী পাখির গলা ফিকে ধূসর। ধূসর বুকের গোড়ায় লালচে পীতাভ আমেজ। চোখের মণি হালকা বাদামী থেকে লোহিত আকারের হয়ে থাকে। ঠোঁট কালো। পা, আঙুল ও নখ হলুদ। স্ত্রী বউ কথা কও পাখি সনাক্তকরণের সহজ উপায় হল, পুরুষের তুলনায় এদের গলা, বুক ও লেজের দিক হালকা ধূসর বর্ণের হয়। পেটের অংশটুকু সরু থাকে।

বউ কথা কও একাকী বা জোড়ায় বিচরণ করে। শুঁয়াপোকা, ঘাসফড়িং, পঙ্গপাল, উড়ন্ত উইপোকা, ফল, গিরগিটি খায়। ‘বুকো-টাকো-বুকো-টাকো…’ স্বরে ডাকে, যা কতকটা বউ কথা কও শোনায়।

পাখিটি অতি উচ্চৈস্বরে সুর করে ডেকে ওঠে। সাধারণভাবে তাদের ডাকে যে চারটি বোল শনাক্ত করা হয়ে থাকে, সেগুলো শুনতে লাগে অনেকটা – অরেঞ্জ-পিকো, বুকো-টাকো-বুকো-টাকো, ক্রসওয়ার্ড পাজল বা ওয়ান মোর বোটল। অঞ্চলভেদে সুরের ভিন্নতা খুব কমই দেখা যায়। বাংলা ভাষায় বুকো-টাকো-বুকো-টাকো-ই আঞ্চলিকভাবে বৌ কথা কও নামে অভিহিত করা হয়। চীনে এ সুরটির মাধ্যমে শেষ থেকে জেগে ওঠাকে নির্দেশ করে। ভারতের কাঙ্গরা উপত্যকায় পাখির ডাককে হোয়ার ইজ মাই শিপ নামে শোনা যায়, যার অর্থ হচ্ছে মৃত রাখালের আত্মা।

বউ কথা কও পরজীবী পাখি হিসেবে পরিচিত। স্ত্রীজাতীয় পাখিটি একটিমাত্র ডিম পাড়ে। ফিঙে এবং কাকের ন্যায় কালো পাখির বাসায় ডিম পেড়ে উধাও হয়ে যায়। অবশ্য ডিম পাড়ার পূর্বে ফিঙে অথবা কাকের একটি ডিম খেয়ে ফেলে কিংবা নীচে ফেলে দেয়। চীনের উত্তরাংশে পাখিটির ডিম পাড়ার মৌসুম হচ্ছে মে থেকে জুলাই, ভারতীয় উপমহাদেশে মার্চ থেকে আগস্ট, বার্মায় জানুয়ারি থেকে জুন এবং মালয় উপত্যকায় জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়কাল। ১২ দিন অতিবাহিত হবার পর ডিম ফুটে বাদামী বর্ণের বাচ্চা জন্মে। আমুর এলাকায় ১৪ দিন সময় ব্যয় হয়। ছানা উড়তে শেখে ১৮-২০ দিনে। আয়ুষ্কাল প্রায় ৭ বছর।  সূত্র: উইকিপিডিয়া

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ৬ দিনের রিমান্ডে সম্রাট প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপির চিঠি সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ মোরালেস সমর্থকদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে নিহত ৯ স্বর্ণ কেনার আগে যেসব বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত লঞ্চের ধাক্কায় বালুবাহী জাহাজ ডুবে ৩ শ্রমিক নিখোঁজ রাজধানীর বনশ্রী থেকে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে নিহত ৭ মুসলিমদেরও রাম মন্দিরের জন্য খুশি হওয়া উচিৎ: রামদেব সিরিয়ায় গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১৮ পেঁয়াজ খাওয়া বন্ধ: প্রধানমন্ত্রী যখন তখন হেসে ফেলেন? আপনার কী হয়েছে জানেন? ঘরোয়া পদ্ধতিতে দূর করুন ব্রণের দাগ পিইসি পরীক্ষা শুরু রোববার সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পরই নারীকর্মীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত: মন্ত্রী পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি: সোমবার দেশব্যাপী বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি কুমিল্লার পর এবার নারায়ণগঞ্জে বিয়েতে পেঁয়াজ উপহার সরকার জড়িত বলে পেঁয়াজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কিছু করা যাচ্ছে না: গয়েশ্বর ইরানে পেট্টোলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ: নিহত ১ মেলায় রাজস্ব আদায় হাজার কোটি টাকা ভারতে ৩৫৪ টাকায় বিশুদ্ধ অক্সিজেন লাল না সবুজ, কোন আপেল বেশি উপকারী? গুদামে পেঁয়াজ পচে যাওয়ায় ফেলে দিচ্ছে আড়তদাররা বগুড়ায় জেল জরিমানার ভয়ে ৬ রুটে বাস চলাচল বন্ধ বিয়ের উপহারে পেঁয়াজ! ভারতকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা শুরু রোববার মিসর থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান পৌঁছাবে মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গায় পেঁয়াজের আড়তে অবরুদ্ধ ম্যাজিস্ট্রেট বিএনপির মূল কাজ এই সরকারকে সরানো : ফখরুল