artk
বৃহস্পতিবার, নভেম্বার ১৪, ২০১৯ ১২:৪০   |  ২৯,কার্তিক ১৪২৬
বুধবার, আগষ্ট ২১, ২০১৯ ১০:৩৯

জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না, চ্যালেঞ্জ আমুর

স্টাফ রিপোর্টার
media

ফাইল ফটো

মুক্তিযুদ্ধের জেড ফোর্সের অধিনায়ক ও সেক্টর কমান্ডার তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু। 

মুক্তিযুদ্ধের জেড ফোর্সের অধিনায়ক ও সেক্টর কমান্ডার তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু। 

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে আজ বুধবার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় আমির হোসেন আমু এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের আয়োজনে ওই আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ‘জিয়া জেড ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন, সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না। এটা আমাদের দেশের অনেকের ভুল ধারণা, নো, জিয়াউর রহমান কখনই সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না। তিনি জেড ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন। 

তিনি বলেন, জিয়া উর্দুতে কথা বলতেন তার পরিবারের ভেতরে। আজকে ফারুক রশিদের কথা বলা হয়, তারা কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ে পাকিস্তান থেকে এসে যোগ দিয়েছে আমাদের সেনাবাহিনীতে। তাদের মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতা যাতে না আসে। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্বাধীনতার মূল স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। বাদ ছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। যেহেতু তিনি ১৫ আগস্ট দেশে ছিলেন না, বাইরে ছিলেন। দেশে এসে আওয়ামী লীগ ও দেশের হাল ধরেছেন।’

আমির হোসেন আমু বলেন, ‘একটা কথা আছে, নিয়ত গুণে বরকত। তার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) নিয়ত ছিল দেশে এসে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করা। ১৬ কোটি মানুষের সাথে তার পরিবার একান্নবর্তী হয়ে গেছে বলেই তিনি বারবার হামলার পরও বেঁচে যাচ্ছেন। যারা তাকে হত্যার জন্য বারবার চেষ্টা করছে, তারা আজ জনবিচ্ছিন্ন। তাদের দিকে তাকিয়েই আওয়ামী লীগকে আরো জনসম্পৃক্ত হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’

আওয়ামী লীগের এ নেতা আরো বলেন, ‘২১ বছর তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করলেও ৯৬-তে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তাদের ওপর একটি ফুলের আঁচরও দেয় নাই। আওয়ামী লীগ একটি বিজয় মিছিলও করে নাই। 

তিনি বলেন, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে ভুলে গেল আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডগুলো। তারা আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংঠনের ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের  ৩৩ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করে। মা-বোনের সম্ভ্রম নষ্ট করল, যেভাবে একাত্তরে করা হয়েছিল। তারা যদি শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে পারত, তাহলে এ দেশের তিন লাখ লোককে হত্যা করা হতো। তাই আমরা মনে করি, এ দেশকে রক্ষার জন্য শেখ হাসিনা বারবার প্রাণে বেঁচে গেছেন।

নিউমোনিয়া: দেশে ঘণ্টায় একজনের বেশি শিশুর মৃত্যু রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য দায়ী জিয়াউর রহমান: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংকের আইটির মানব সম্পদ উন্নয়নে বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন রোহিঙ্গাদের এনআইডি: চট্টগ্রামে আরও দুই নির্বাচনকর্মী গ্রেপ্তার বগুড়ায় কোচিং শিক্ষককে অর্থদণ্ড ৬৮ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে আমারি ঢাকায় থাই ফুড ফেস্টিভ্যাল শুরু ২১ নভেম্বর অসুস্থ খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে চায় পরিবার নানার হাতে নাতনির মৃত্যু তবুও মোস্তাফিজই আমাদের জন্য হুমকি: কোহলি শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে আ.লীগ থেকে বিএনপিতে আসার অবস্থা তৈরী হয়েছে: ফখরুল সড়কের মতো রাজনীতিতেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে: ওবায়দুল কাদের কেরাণীগঞ্জে মিললো ৮ কোটি টাকার নকল প্রসাধনী দ্বিমত করলে, সালাম না দিলেই তারা নির্যাতন করত ছাত্রদের আবরার হত্যা: ২৫ জনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আরো ২৩ উপজেলা হংকংয়ে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন ঘূর্ণিঝড়ে ৩ সহস্রাধিক মোবাইল টাওয়ার বন্ধ দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের কিশোর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহত ১৬ জনের লাশ হস্তান্তর ভারতে পেঁয়াজের দাম না পেয়ে কৃষকের কান্না রেফারিকে এসপি হারুনের মারধরের ভিডিও ভাইরাল ‘ঘন কুয়াশার কারণে লালবাতি দেখতে পাননি চালক’ জাতীয় আয়কর মেলা শুরু বৃহস্পতিবার শিশুটির নাম নাইমা, সঙ্গে থাকা মা ও দাদীর সন্ধান মিলছে না খালেদা জিয়া নিজে হাতে খেতেও পারেন না: মির্জা ফখরুল আর দেখা যাবে না সোহার হাসিমুখ