artk
শুক্রবার, নভেম্বার ১৫, ২০১৯ ২:১২   |  ৩০,কার্তিক ১৪২৬

নাইম আবদুল্লাহ

বৃহস্পতিবার, আগষ্ট ১, ২০১৯ ৮:৩৫

সিডনিতে দেশীয় সাংবাদিকতা: একটি সামাজিক আন্দোলন

media

পূর্ব প্রকাশের পর

সিডনিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বসবাস পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে। তার মধ্যে বিগত ২০ বছরে আমাদের জনসংখ্যা বেড়েছে বেশি। নুতন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বড় হয়েছে, লেখাপড়া শেষ করে সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে।  বাবা-মায়েরা কেউ কেউ ছোটাছুটি করে তাদের বিয়েসাদি দেশে দিচ্ছেন কিংবা এখানেই ব্যবস্থা করছেন। আবার কেউ কেউ পছন্দমত দেশীয় অথবা বিদেশি বিয়ে করছে।

কিন্তু সত্যিকার অর্থে অনেক বিয়েই টিকছে না। সেটা দেশেই হোক কিংবা এখানে হোক, নিজেদের পছন্দ মতো কিংবা বাবা-মায়ের পছন্দেই হোক। তাদের বাবা-মায়েরা চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। সামাজিক সচেতনতা, নিজেদের মধ্যে মানিয়ে নেয়া, পরস্পরকে বুঝতে না পারা ইত্যাদি কারণগুলিই দায়ী হতে পারে।

এখানে আমরা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সচেতনতায় অনেক কিছুই করছি। কিন্তু নুতন প্রজন্মের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য সামাজিকভাবে কোন পদক্ষেপের কথা চিন্তা করা যায় কিনা?

সিডনিতে আমাদের অনেক অর্জন আছে। আছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্মৃতিসৌধ, আছে জাতির জনকের আবক্ষ মূর্তি, আছে মসজিদ ও কবরখানা। কিন্তু কমিউনিটি একটি সেন্টারের এখন বড় প্রয়োজন। একটি নাটকের পাঠশালা যদি করা যেত? বাচ্চাদের নাচ ও গানের ছোট ছোট স্কুল বিভিন্ন বাসায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এগুলো যদি একই সুতোই গাঁথা যেত? বাংলা ভাষার স্কুলগুলো শিক্ষার্থীর অভাবে বন্ধ হতে বসেছে। এগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সামাজিক আন্দোলন কি অত্যাবশ্যক না?

এখানে দেশীয় শিল্প সাংস্কৃতির চর্চার বিকাশে স্থানীয়ভাবে কিছু গানের দল গড়ে উঠেছে আবার কেউ কেউ এককভাবে গাইছেন। তাদের নিয়ে সাংস্কৃতিক আয়োজন করলে দর্শক শ্রোতাদের কমতি হবে না। বড় লাভ যেটা হবে তা হলো, নুতন প্রজন্ম উৎসাহিত হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কারো বাবা-মা এখানে গান গেয়ে মঞ্চে হাততালি পায় তাহলে তাদের ছেলেমেয়েরা বাংলা গান কিংবা নাচ করতে বেশি উৎসাহিত হবে।

দেশীয় রাজনীতি আমাদের মজ্জার সাথে মিশে আছে। আমরা সবাই কর্মী, সমর্থক এবং আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু এদেশীও মুলধারার রাজনীতিতে আরও বেশি সম্পৃক্ততা দরকার। দরকার নুতন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করা।

স্থানীয় অনেক পত্রিকার মুদ্রণ অনিয়মিত কিংবা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। পত্রিকাগুলোর পুনর্বাসনের জন্য কিছু করা যায় কিনা? সিডনি জুড়ে সাড়া বছর অনেক আয়োজন চলছে। এগুলোর খবর অনলাইন, সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রিন্ট মাধ্যমে গেলেও টেলিভিশনে প্রচারিত হওয়ার তেমন সুযোগ নেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোর মতো যদি এখানেও স্যাটেলাইট টেলিভিশন চালু করা যায়?

প্রত্যাশা তো আমাদেরই থাকবে, স্বপ্ন তো আমাদের চোখে রঙ ছড়াবে। সামাজিক আন্দোলন বোধকরি বাস্তবের পথ চলা শেখাবে। (চলবে)

লেখক: সিডনি প্রবাসী সাংবাদিক।

আরিফের সহায়তায় ফুটপাতে থাকা সেই শিশুদের সরিয়ে নিলো পুলিশ পেঁয়াজের কেজি ২০০ টাকা হবে কোনো দিন ভাবিনি: তোফায়েল মেলার প্রথম দিনেই আয়কর আদায় ৩২৩ কোটি টাকা প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রীর আয়কর বিবরণী জমা রাঙার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা পেঁয়াজ নিয়ে মারামারি! সূচকে পতন লেনদেনও মন্দা জেএসসি প্রশ্নের ছবি তুলে পালানোর চেষ্টা, ২ কলেজছাত্রের দণ্ড চট্টগ্রামে দুই সিমেন্ট কারখানাকে জরিমানা অফিসে ইয়াবা সেবন ভূমি কর্মকর্তার দেশে সব ধরনের রেনিটিডিন বিক্রি স্থগিত সেন্টমার্টিনে ১১৯ রোহিঙ্গা আটক প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা শুরু ১৭ নভেম্বর ৬৯ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন এবার সিগন্যালের ভুলে রংপুর এক্সপ্রেসে আগুন রংপুর এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ ৭ বগি লাইনচ্যুত, তিনটিতে আগুন ক্ষুদ্রঋণে দারিদ্র বিমোচন হয় না: প্রধানমন্ত্রী দুদকের হাতে আটক জনপ্রতিনিধিসহ ৫ সরকারি কর্মকর্তা খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে আপিল এবার সৌদি কারাগারে আরেক আলেমের মৃত্যু ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি গ্রামীণফোন কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় নেপাল বৃহস্পতিবার শুরু সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা রোহিঙ্গা নিধন: সু চির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় মামলা গ্রামীণ ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে: মোস্তাফা জব্বার আকাশপ্রদীপের সিটের নিচে ৯ কেজি স্বর্ণ নিউমোনিয়া: দেশে ঘণ্টায় একজনের বেশি শিশুর মৃত্যু রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য দায়ী জিয়াউর রহমান: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংকের আইটির মানব সম্পদ উন্নয়নে বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন