artk
রোববার, সেপ্টেম্বার ২২, ২০১৯ ৭:১২   |  ৭,আশ্বিন ১৪২৬

নাইম আবদুল্লাহ

বৃহস্পতিবার, আগষ্ট ১, ২০১৯ ৮:৩৫

সিডনিতে দেশীয় সাংবাদিকতা: একটি সামাজিক আন্দোলন

media

পূর্ব প্রকাশের পর

সিডনিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বসবাস পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে। তার মধ্যে বিগত ২০ বছরে আমাদের জনসংখ্যা বেড়েছে বেশি। নুতন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বড় হয়েছে, লেখাপড়া শেষ করে সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে।  বাবা-মায়েরা কেউ কেউ ছোটাছুটি করে তাদের বিয়েসাদি দেশে দিচ্ছেন কিংবা এখানেই ব্যবস্থা করছেন। আবার কেউ কেউ পছন্দমত দেশীয় অথবা বিদেশি বিয়ে করছে।

কিন্তু সত্যিকার অর্থে অনেক বিয়েই টিকছে না। সেটা দেশেই হোক কিংবা এখানে হোক, নিজেদের পছন্দ মতো কিংবা বাবা-মায়ের পছন্দেই হোক। তাদের বাবা-মায়েরা চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। সামাজিক সচেতনতা, নিজেদের মধ্যে মানিয়ে নেয়া, পরস্পরকে বুঝতে না পারা ইত্যাদি কারণগুলিই দায়ী হতে পারে।

এখানে আমরা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সচেতনতায় অনেক কিছুই করছি। কিন্তু নুতন প্রজন্মের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য সামাজিকভাবে কোন পদক্ষেপের কথা চিন্তা করা যায় কিনা?

সিডনিতে আমাদের অনেক অর্জন আছে। আছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্মৃতিসৌধ, আছে জাতির জনকের আবক্ষ মূর্তি, আছে মসজিদ ও কবরখানা। কিন্তু কমিউনিটি একটি সেন্টারের এখন বড় প্রয়োজন। একটি নাটকের পাঠশালা যদি করা যেত? বাচ্চাদের নাচ ও গানের ছোট ছোট স্কুল বিভিন্ন বাসায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এগুলো যদি একই সুতোই গাঁথা যেত? বাংলা ভাষার স্কুলগুলো শিক্ষার্থীর অভাবে বন্ধ হতে বসেছে। এগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সামাজিক আন্দোলন কি অত্যাবশ্যক না?

এখানে দেশীয় শিল্প সাংস্কৃতির চর্চার বিকাশে স্থানীয়ভাবে কিছু গানের দল গড়ে উঠেছে আবার কেউ কেউ এককভাবে গাইছেন। তাদের নিয়ে সাংস্কৃতিক আয়োজন করলে দর্শক শ্রোতাদের কমতি হবে না। বড় লাভ যেটা হবে তা হলো, নুতন প্রজন্ম উৎসাহিত হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কারো বাবা-মা এখানে গান গেয়ে মঞ্চে হাততালি পায় তাহলে তাদের ছেলেমেয়েরা বাংলা গান কিংবা নাচ করতে বেশি উৎসাহিত হবে।

দেশীয় রাজনীতি আমাদের মজ্জার সাথে মিশে আছে। আমরা সবাই কর্মী, সমর্থক এবং আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু এদেশীও মুলধারার রাজনীতিতে আরও বেশি সম্পৃক্ততা দরকার। দরকার নুতন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করা।

স্থানীয় অনেক পত্রিকার মুদ্রণ অনিয়মিত কিংবা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। পত্রিকাগুলোর পুনর্বাসনের জন্য কিছু করা যায় কিনা? সিডনি জুড়ে সাড়া বছর অনেক আয়োজন চলছে। এগুলোর খবর অনলাইন, সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রিন্ট মাধ্যমে গেলেও টেলিভিশনে প্রচারিত হওয়ার তেমন সুযোগ নেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোর মতো যদি এখানেও স্যাটেলাইট টেলিভিশন চালু করা যায়?

প্রত্যাশা তো আমাদেরই থাকবে, স্বপ্ন তো আমাদের চোখে রঙ ছড়াবে। সামাজিক আন্দোলন বোধকরি বাস্তবের পথ চলা শেখাবে। (চলবে)

লেখক: সিডনি প্রবাসী সাংবাদিক।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম নিরাপত্তা চেয়ে সিলেটের ৫৬ সাংবাদিকের জিডি পুঁজিবাজারে তারল্য কাটাতে অর্থ দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন ক্লাবে চলমান অভিযানে ক্ষুব্ধ হুইপ শামশুল মতিঝিলের চার ক্লাবে ক্যাসিনো, জুয়ার আখড়া, মদ-সিসা ‘১০ কোটি টাকা দিচ্ছি আমাকে ছেড়ে দিন’ খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল দেশটা জুয়াড়িদের হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ক্যান্সারে ভুগছেন এন্ড্রু কিশোর উপনির্বাচন পেছানোর দাবিতে রংপুরে অনশন যুক্তরাষ্ট্রে স্পোর্টস বারে বন্ধুক হামলা, নিহত ২ নির্দেশনা মেনে ফেসবুক ব্যবহার করতে হবে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ক্যাসিনো: মতিঝিলে ৪ ক্লাবে অভিযান মাদারীপুরে চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সভাপতি কাওছার যুক্তরাষ্ট্রে নারায়ণগঞ্জে ডিবির গুলিতে পোশাক শ্রমিক আহত ১৫ বছর বয়সে ধর্ষিত হয়ে বাড়ি ছেড়েছেন নায়িকা বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবেন না ধোনি সদলবলে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক কোহলিদের ভাতা দ্বিগুণ করলো ভারত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মিন্নি থানায় তরুণীকে গণধর্ষণ: সাবেক ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা লোহাগড়ায় তিন শিক্ষককে হাতুড়িপেটা বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে কড়া সমালোচনা জাতিসংঘে কুষ্টিয়ায় রিকশাচালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু আর নেই ক্ষমতায় টিকতে ১৩৪ জনকে হত্যা যুবরাজের ‘বেঁচে থাকতে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হতে দেব না’ তেল শোধনাগারে হামলার প্রতিশোধ নেবে সৌদি আরব ‘মিসেস বাংলাদেশ’ হলেন মুনজারিন অবনী