artk
শুক্রবার, নভেম্বার ১৫, ২০১৯ ২:১২   |  ৩০,কার্তিক ১৪২৬
সোমবার, জুলাই ১, ২০১৯ ১২:৪৩

দুবাইয়ে ভারতীয় কোম্পানির কারণে মানবেতর জীবনযাপন ১৬৮ বাংলাদেশির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
media

পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় সাত মাস লাগতে পারে। তারপরও কেউ মামলা করতে আগ্রহী হলে আমরা সহযোগিতা করব। কেউ ফিরে যেতে চাইলেও তাদের জন্য সে সুযোগ রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি কারখানায় কয়েক মাস ধরে বেতন না পাওয়ায় অর্থ ও খাদ্যহীন অবস্থায় আটকে রয়েছেন ১৬৮ জন বাংলাদেশি শ্রমিক। তাদের অনেকেই দেশে ফিরতে চান, কিন্তু তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় অবৈধ হয়ে পড়েছেন। কোম্পানির পক্ষ থেকে তা নবায়নের কোনো পদক্ষেপও নেয়া হয়নি। এমন অবস্থায় নিয়োগকারীর বিরুদ্ধে মামলা করার কথা ভাবছেন শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (শ্রম) ফকির মুহাম্মদ মনোয়ার হোসেনের তথ্যমতে, বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০০ শ্রমিক অর্থ ও খাদ্যহীন অবস্থায় আটকে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৬৮ জন বাংলাদেশি। দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মনোয়ার হোসেন জানান, এসব শ্রমিক একটি ‘ভারতীয় নির্মাণ কোম্পানিতে’ কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি ওই কোম্পানিটি দেউলিয়া হয়ে যায়। এ কারণে কিছু শ্রমিক ছয় বা আরো বেশি সময় ধরে বেতন পাচ্ছেন না। এসব শ্রমিকের বেশির ভাগের বেতন ৭০০ থেকে দেড় হাজার দিরহাম যা বাংলাদেশি অঙ্কে ১৬ থেকে সাড়ে ৩৪ হাজার টাকা বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে গত ২৮ জুন সংবাদ প্রকাশ করে দেশটির স্থানীয় দৈনিক খালিজ টাইমস। খবরে একজন শ্রমিক জানান, তাদের কাছে কোনো টাকা-পয়সা ও খাদ্য নেই। ওই শ্রমিক বলেন, ‘আমাদের ভিসার মেয়াদ শেষ ও পাসপোর্টও নিয়োগকারীর কাছে। ফলে অন্য কোথাও কাজ করারও সুযোগ নেই।

তবে নাম প্রকাশ না করা এক নিয়োগকারীকে উদ্ধৃত করে খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, অতি দ্রুত বকেয়া পরিশোধের অঙ্গীকার করেছে কর্তৃপক্ষ।

কনসুলেটের প্রথম সচিব মনোয়ার হোসেন বলেন, শ্রমিকদের আইনি সহায়তা ও খাদ্য দেয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয় আইনে এ সমস্যার সমাধান বেশ জটিল হবে। তাই যদি শ্রমিকরা দাবি ছেড়ে দেন, তাহলে জামানতের অর্থ নিয়ে ফিরে যেতে পারবেন। তবে বাংলাদেশী শ্রমিকরা আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

মনোয়ার হোসেন আরো বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় সাত মাস লাগতে পারে। তারপরও কেউ মামলা করতে আগ্রহী হলে আমরা সহযোগিতা করব। কেউ ফিরে যেতে চাইলেও তাদের জন্য সে সুযোগ রয়েছে।

খালিজ টাইমস তথ্যমতে, দাতব্য প্রতিষ্ঠান দার আল বার সোসাইটি এক ভারতীয় প্রবাসীর কাছ থেকে পরিস্থিতি জানতে পেরে বুধবার শ্রমিকদের আবাসস্থলে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ও একটি চিকিৎসা শিবির স্থাপন করে।

তবে একজন শ্রমিক খালিজ টাইমসকে বলেন, আমরা খুব দুঃখজনক পরিস্থিতিতে আছি। কারণ আমাদের কাছে খাবার কিনতে কোনো টাকা নেই। আমরা পথচারী বা আশপাশের দোকানিদের দয়ায় বেঁচে আছি। কিন্তু প্রতিদিন তারা আমাদের বিনামূল্যে খাবার দেবে না। খাবার ভিক্ষা চাওয়া খুবই লজ্জাজনক। আমরা সম্মানের সঙ্গে আয় করতে চাই। নিজেদের ও আমাদের পরিবারের যত্ন নিতে এখানে এসেছিলাম। ভিক্ষা করতে বা অবৈধ অভিবাসী হতে নয়। এমন পরিস্থিতি হয়েছে, কোম্পানি আমাদের ভিসা নবায়ন না করার কারণে।

আরিফের সহায়তায় ফুটপাতে থাকা সেই শিশুদের সরিয়ে নিলো পুলিশ পেঁয়াজের কেজি ২০০ টাকা হবে কোনো দিন ভাবিনি: তোফায়েল মেলার প্রথম দিনেই আয়কর আদায় ৩২৩ কোটি টাকা প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রীর আয়কর বিবরণী জমা রাঙার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা পেঁয়াজ নিয়ে মারামারি! সূচকে পতন লেনদেনও মন্দা জেএসসি প্রশ্নের ছবি তুলে পালানোর চেষ্টা, ২ কলেজছাত্রের দণ্ড চট্টগ্রামে দুই সিমেন্ট কারখানাকে জরিমানা অফিসে ইয়াবা সেবন ভূমি কর্মকর্তার দেশে সব ধরনের রেনিটিডিন বিক্রি স্থগিত সেন্টমার্টিনে ১১৯ রোহিঙ্গা আটক প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা শুরু ১৭ নভেম্বর ৬৯ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন এবার সিগন্যালের ভুলে রংপুর এক্সপ্রেসে আগুন রংপুর এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ ৭ বগি লাইনচ্যুত, তিনটিতে আগুন ক্ষুদ্রঋণে দারিদ্র বিমোচন হয় না: প্রধানমন্ত্রী দুদকের হাতে আটক জনপ্রতিনিধিসহ ৫ সরকারি কর্মকর্তা খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে আপিল এবার সৌদি কারাগারে আরেক আলেমের মৃত্যু ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি গ্রামীণফোন কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় নেপাল বৃহস্পতিবার শুরু সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা রোহিঙ্গা নিধন: সু চির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় মামলা গ্রামীণ ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে: মোস্তাফা জব্বার আকাশপ্রদীপের সিটের নিচে ৯ কেজি স্বর্ণ নিউমোনিয়া: দেশে ঘণ্টায় একজনের বেশি শিশুর মৃত্যু রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য দায়ী জিয়াউর রহমান: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংকের আইটির মানব সম্পদ উন্নয়নে বাজেট বাড়ানো প্রয়োজন