artk
শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০১৯ ৬:৩৮   |  ৪,শ্রাবণ ১৪২৬
সোমবার, জুন ২৪, ২০১৯ ৯:৫৫

শিক্ষাখাত: বাজেট ২০১৯-২০

মতিউর রহমান খান
media
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার উন্নয়নে বিদেশ থেকে শিক্ষক ভাড়া করে এনে উচ্চ শিক্ষাশিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নের প্রস্তাব করেছেন

একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা শিক্ষার উন্নয়ন। জাতীয় বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিমান কি আদৌ যুক্তিসঙ্গত? স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত প্রত্যেক বাজেটে শিক্ষার ক্ষেত্রে বরাদ্দের পরিমাণ কখনো প্রয়োজন অনুযায়ী যথোপযুক্ত করা হয় নাই। সরকারের পক্ষ থেকে যতই বলা হউক আমরা শিক্ষাবান্ধব সরকার তা কখনোই সরকার প্রমাণ করতে পারে নাই।

আমাদের জাতীয় বাজেটের কেবলমাত্র আড়াই শতাংশের কাছাকাছি নির্ধারিত হয় শিক্ষাক্ষেত্রে। আবার শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা হলো সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, অথচ বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থা সবচাইতে অবহেলিত।

প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে যে সকল শিক্ষক নিয়োজিত আছেন তাদের শিক্ষাপ্রদানের মান সম্পর্কে কোন বৈজ্ঞানিক মানদন্ড আছে কি? (নাই) দীর্ঘদিন থেকে যে সকল প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষাদান প্রক্রিয়ায় জড়িত আছেন তাদের অনেকের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/শিক্ষার মান শিক্ষাপ্রদানের জন্য মানসম্পন্ন নয় বলেই লক্ষ লক্ষ শিশু প্রাথমিক শিক্ষা শেষ না হতেই শিক্ষাবঞ্চিত হয়ে পড়ে।

দেশের সকল শিশুকে শিক্ষাসুবিধা প্রদানের জন্য যে ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি শিক্ষাপ্রদানকারীদের মান নিশ্চিতকরণ সে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কখনোই পরিষ্কার নয়। সরকারের দায়িত্বশীল দপ্তর কখনো প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার বিষয়ে তেমন কোন ভূমিকা আজ পর্যন্ত রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার উন্নয়নে বিদেশ থেকে শিক্ষক ভাড়া করে এনে উচ্চ শিক্ষাশিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নের প্রস্তাব করেছেন, প্রশ্ন হলো সেক্ষেত্রে কারা বা কোন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সেই সুবিধা ভোগ করবে?

বাংলাদেশে কেবলমাত্র উচ্চবিত্ত এবং উচ্চমধ্যবিত্তের পরিবারের সন্তানরাই উচ্চশিক্ষার সুযোগ ভোগ করে থাকে। অতএব সহজেই বুঝা যায় শিক্ষার উন্নয়নের সকল উদ্যোগ কেবলমাত্র একটি বিশেষ শ্রেণির মানুষরাই ভোগ করতে পারবেন, অথচ প্রয়োজন যে শিক্ষা (প্রাথমিক) ব্যবস্থাটি সারা দেশের সকল শিশুর শিক্ষার অধিকার/সুযোগ সৃষ্টির জন্য উন্নত করা প্রয়োজন সেক্ষেত্রে সরকারের অবহেলা/উদাসীনতা প্রতীয়মান।

আমাদের চলমান প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এমপিওভুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়, অনিবন্ধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উচ্চ বিত্তের জন্য) থাকার কারণে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সকল শিশু একই ধরনের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, আবার শিক্ষাদানকারী শিক্ষকদের মধ্যেও শ্রেণিবিন্যাশ তৈরি হচ্ছে।

সরকার যদি সত্যিকারার্থে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সাধনে আন্তরিক হন তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম তিনটিকে অর্থাৎ সরকারি, এমপিও এবং অনিবন্ধিত প্রথমিক বিদ্যালয় সরাসরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে এনে একই শিক্ষা কার্যক্রমের অধীনে মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগদান নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে পরিচালনা করলেই শিক্ষার উন্নয়নের প্রাথমিক স্তর নিশ্চিত সম্ভব।

বেসরকারি (প্রাইভেট) প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবশ্যই সরকারের পর্যবেক্ষণ (monitoring) নিশ্চিত করতে হবে যাতে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম যথাযথোভাবে পালিত হয়, তবেই আমাদের শিক্ষার উন্নয়ন সম্ভব।

লেখক: সিডনি, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী।

রিফাতকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন মিন্নি: এসপি ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা দিয়েও অস্বীকার ছাত্রলীগের চবি সভাপতির সিঙ্গাপুরে নেয়া হল রফিকুল ইসলাম মিয়াকে পরমাণু সমঝোতা বাঁচাতে পুতিন-ম্যাকরন একমত ঋতুপর্ণাকে টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা জেরা করলেন গোয়েন্দারা দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী যে মায়েরা নিজ সন্তান হত্যা করেন যার হাতে গণতন্ত্র হত্যা, সে পায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা: মির্জা ফখরুল তুরস্কে বাস দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১৭ প্রশাসনকে ক্ষমতাসীনদের স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে: ড. কামাল কর সংগ্রহ নিয়ে ডিসি-রাজস্ব কর্মকর্তারা মুখোমুখি অবস্থানে ক্রিকেটকে খেলা মানতে নারাজ রাশিয়া! ‘চোরাই তেলসহ’ বিদেশি জাহাজ আটক করেছে ইরান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আব্বাসি গ্রেপ্তার পুঁজিবাজারে লাভ-লসের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: অর্থমন্ত্রী শিশু সজীবের মাথাহীন দেহ উদ্ধার, নিহত ঘাতকের পরিচয় মিলেছে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর ইসরালি বাহিনীর হামলা দ. আফ্রিকা সফরে মেয়েদের ইমার্জিং দল ঘোষণা উন্নয়নের নামে বল্গাহীন লুণ্ঠন চলছে: রিজভী মশার ভয়ে পরিকল্পনা কমিশনে যাচ্ছেন না অর্থমন্ত্রী! প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিনিয়োগকারীদের স্মারকলিপি পেশ ১৫ দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিনিয়োগকারীরা বদলে গেলো দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীর নাম এফ-৩৫ না দিয়ে অন্যায় করছে যুক্তরাষ্ট্র: তুরস্ক শিশুর মাথা কেটে নিয়ে পালানোর সময় পিটুনিতে যুবক নিহত রিফাত হত্যায় মিন্নি সরাসরি জড়িত: এসপি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, পরে বিয়ের আশ্বাস! সরল বিশ্বাসে কৃতকর্ম অপরাধ নয়: দুদক চেয়ারম্যান ধর্ষণ মামলার বিচার বিষয়ে হাইকোর্টের ৭ নির্দেশনা জাপানে অগ্নিহামলা! নিহত অন্তত ৩৩