artk
শনিবার, আগষ্ট ২৪, ২০১৯ ১:০৭   |  ৮,ভাদ্র ১৪২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক

রোববার, জুন ১৬, ২০১৯ ১১:২৮

রূপচর্চার বাগান

media

রূপচর্চায় গাছগাছড়ার ব্যবহার আজকের নয়। সিন্ধু সভ্যতার সময় থেকেই এই ধরনের রূপচর্চার কথা শোনা যায়। পরবর্তী কালে বিভিন্ন গাছগাছড়া ও ফুলের রস থেকেই প্রসাধনী তৈরি শুরু হয়। বাজার থেকে কিনে আনা প্রসাধনীর ওপরে ভরসা না করে যদি বাড়িতেই বানিয়ে নেয়া যায় রূপচর্চার বাগান, তবে কেমন হয়? দেখা যাক, কী ধরনের গাছ রাখতে পারেন সে বাগানে।

অতুলনীয় তুলসী

তুলসীর মঞ্জরি থেকেই নতুন গাছ তৈরি হয়। ফলে একটা তুলসী গাছ বাড়িতে থাকলে তার থেকেই একাধিক গাছ তৈরি হয়ে যায়। তুলসীর পাতা বাটা ত্বক ও চুল দুইয়ের পক্ষেই ভাল। ত্বকে কোনও ব্যাকটিরিয়া বাসা বাঁধতে দেয় না। আর স্ক্যাল্পে লাগালে খুসকিও হয় না।

ভৃঙ্গরাজের রাজত্বে চুলের রমরমা

চুলের যত্নে ভৃঙ্গরাজও ভালো কাজ দেয়। বিশেষ করে আমলকী, হরিতকী ও বহেড়ার সঙ্গে ভৃঙ্গরাজ মিশিয়ে তেলে ফুটিয়ে নিতে হবে। তার পরে শ্যাম্পু করার আগের রাতে পুরো চুলে ভালো করে মেখে রাখলে খুসকি, চুলে পাক ধরা, চুল পড়ে যাওয়ার মতো অনেক সমস্যার মোকাবিলা করে। ভৃঙ্গরাজ গাছ পেতে আয়ুর্বেদের দোকানে খোঁজ করতে পারেন। আমলকী, হরিতকী গাছের জন্য অনেকটা জমির প্রয়োজন। তাই এগুলো কিনে নেয়াই ভালো।

গোলাপের বাগানে 

অনেকের বাগানেই এই গাছটি থাকে। ত্বকের যত্নে এর ব্যবহার বিবিধ। গোলাপের পাপড়ি ফুটিয়ে গোলাপজল তৈরি করে রাখতে পারেন। প্রত্যেক দিন গোসেলের পানিতে এই গোলাপজল মিশিয়ে নিলে সারা দিনের ক্লান্তি কাটবে। অন্যদিকে গোলাপজলকে টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন মুখে। আবার যাঁদের ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা রয়েছে, তারা গোলাপের পাপড়ি বেটে, মধু সহযোগে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে ঠোঁটের রং হালকা হয়ে আসবে।

অ্যালোভেরার আলোয়

বহু বছর ধরে ত্বকের যৌবন ধরে রাখতে অ্যালো জেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অ্যালোভেরার জেলে ভিটামিন এ, সি এবং ই থাকে। ফলে ত্বককে ময়শ্চারাইজ় করে ত্বকের বলিরেখা দূর করতে এর বিকল্প কমই। এ ছাড়া ত্বকের পোড়া-কাটা দাগ মেলাতেও অ্যালোভেরা খুব কাজে লাগে। অ্যালোভেরা টবে পুঁতলে বেশ তাড়াতাড়ি বাড়ে। তবে তার জন্য প্রয়োজন একটু উষ্ণ আবহাওয়া। বাড়ির যে দিকে রোজ রোদ আসে, সে দিকেই অ্যালোভেরা গাছ রাখতে পারেন। এতে গাছ বাড়েও তাড়াতাড়ি, পাতা বেশ পুরুষ্টও হয়। ফলে জেলের পরিমাণও বাড়ে।

যৌবন ধরে রাখতে জবা

ত্বকের ইলাস্টিসিটি ধরে রাখতে জবার জবাব নেই। যার জন্য এই গাছ বোটক্স গাছ নামেও পরিচিত। অন্য দিকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর থাকায় জবা ফুল দূষণের মোকাবিলা করতেও ত্বককে সাহস জোগায়। ফলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি বা রাস্তাঘাটে ধুলো-ধোঁয়ায় ত্বক খুব একটা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। জবা ফুল চুলের জন্যও খুব ভালো। নারকেল তেলের সঙ্গে জবা ফুল ফুটিয়ে রোজ সেই তেল চুলে ও স্ক্যাল্পে লাগালে চুল ঘন হয়। জবা গাছের যত্ন নেয়াও খুব কঠিন নয়।

ল্যাভেন্ডারে লালিত্য

এই গাছ করাও খুব কঠিন নয়। তবে রোদ ও পানি জরুরি। ল্যাভেন্ডার গাছে ফুল আসতেও সময় লাগে। তবে ফুল এলে ভরে যায়। ল্যাভেন্ডারের পাপড়িগুলো একটা বাটিতে নিন। তার পরে একটি পাত্রে গরম পানিতে ঢেলে এই পাপড়িগুলো তার মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। ঘণ্টাখানেক পরে পাপড়ি ছেঁকে পানিটা নিয়ে তার মধ্যে ওটমিল পাউডার মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই ফেসপ্যাক মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের রং অনেক পরিষ্কার হবে। একইসঙ্গে ত্বক সতেজ থাকবে।

সৌন্দর্যে সূর্যমুখী

এই ফুলকে ন্যাচারাল সানস্ক্রিন বলা যেতে পারে। সূর্যমুখী ফুলে ভিটামিন ই থাকে প্রচুর পরিমাণে, যা ত্বকের দাগছোপ, বলিরেখা দূর করে। চুলের ডগা ফাটার মতো সমস্যারও মোকাবিলা করে। রূপচর্চায় উপকারী ভিটামিনের মধ্যে ই ভিটামিনের গুরুত্ব অপরিসীম। আর এই ভিটামিন বেশি থাকায় সূর্যমুখী ফুলও ব্যবহার করতে পারেন রূপচর্চায়। সূর্যমুখী বীজের তেলও রূপচর্চায় বহুল ব্যবহৃত। তবে এই ফুলের বাগান করতে অনেকটা জায়গার প্রয়োজন। 

জুঁইয়ের জাদু

এর জন্য অবশ্য খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন নেই। ছোট টবেই জুঁইগাছ বাড়তে পারে। খুব বেশি যত্নেরও প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু সৌন্দর্যচর্চায় জুঁইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। জুঁই ফুলের নির্যাস, মধুর সঙ্গে মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন। ত্বকের ময়শ্চার বজায় থাকবে। এ ছাড়া চুলের কন্ডিশনার হিসেবে, স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতেও জুঁইয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর জন্য নারকেল বা আমন্ড তেলে জুঁই ফুল দিয়ে রাখুন। তেল মাখার আগে একটু গরম করে নিতে হবে। শ্যাম্পু করার ঘণ্টাখানেক আগে চুলে ও স্ক্যাল্পে এই তেল মাখুন। এতে স্ক্যাল্পে কোনও ব্যাকটিরিয়া বাসা বাঁধবে না। একই সঙ্গে স্ক্যাল্পে খুসকিও হবে না। চুলের কন্ডিশনিংও হবে।

গাছগুলো কিন্তু দুষ্প্রাপ্যও নয়। সহজেই নার্সারিতে পেয়ে যাবেন। আর বাড়িতেই যদি রূপচর্চার বাগান করে নেয়া যায়, তা হলে প্রসাধনী সম্পর্কেও নিশ্চিন্ত থাকা যাবে। 

রোহিঙ্গাদের আর বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারব না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের আগে আবুধাবিতে প্রস্তুত হচ্ছেন রশিদ বাহিনী ভ্যানিটি ব্যাগে পাওয়া গেলো ২৫ বোতল ফেনসিডিল ভালুকায় অজ্ঞানপার্টির কবলে পুলিশ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ আর নেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গ প্রত্যাবাসনে সরকার কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ: রিজভী কুমিল্লায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে কিশোর-কিশোরী নিহত নারীকর্মীর সঙ্গে জামালপুরের ডিসির অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল ভুটানকে উড়িয়ে দিয়ে সাফ শুরু করলো বাংলাদেশ সাকিব না থাকলে সব কিছুই কঠিন হবে: তাইজুল সাতক্ষীরায় সাপের কামড়ে বেদের মৃত্যু মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টা, সৎ বাবা আটক রাঙ্গামাটিতে সেনাবাহিনীর গাড়িতে গুলি, পাল্টা গুলিতে সন্ত্রাসী নিহত ‘বোন হত্যা ও ধর্ষণের বিচার চাইতে এসেছি’ আমাজনে আগুন আন্তর্জাতিক সংকট: ম্যাক্রোঁ অফিসে ঘুমালে বাড়ে কাজের মান ৯ ঘণ্টার বেশি বসে কাজ করলে অকালে মৃত্যু রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার পরিস্থিতি মিয়ানমারে নেই: জাতিসংঘ গাজীপুরে ছাত্রলীগ নেতাদের ওপর হামলা, আহত ৪ মোহাম্মদপুরে ছাদ থেকে পড়ে মিস্ত্রির মৃত্যু বউ কথা কও ‘মাদক বিক্রেতার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার’ দুই সপ্তাহ ধরে পুড়ছে পৃথিবীর ‘ফুসফুস’ শুভ জন্মাষ্টমী শুক্রবার সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুতে নারীর মৃত্যু আন্তর্জাতিক দাস বাণিজ্য স্মরণ ও রদ দিবস দেশ নিয়ে চাওয়া পাওয়া পোল্যান্ডে বজ্রপাতে ৪ পর্বতারোহীর মৃত্যু যুবলীগ নেতাকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করলো রোহিঙ্গারা