artk
বুধবার, জুন ২৬, ২০১৯ ৩:০৪   |  ১২,আষাঢ় ১৪২৬
মঙ্গলবার, জুন ১১, ২০১৯ ৭:১৩

দুই নবজাতক চুরির দায়ে দুজনের যাবজ্জীবন

স্টাফ রিপোর্টার
media

২০০৫ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে দুই নবজাতককে চুরি করে পাচার করার দায়ে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে তাদের জরিমানা করা হয়েছে। 

২০০৫ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে দুই নবজাতককে চুরি করে পাচার করার দায়ে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে তাদের জরিমানা করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার ঢাকার তৃতীয় মানব পাচার দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার এ রায় দেন।

দণ্ডিত দুই আসামি হলেন সিরাজগঞ্জের ঝর্ণা বেগম ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার চাঁনমারা বস্তির মানিক। রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রায়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান আব্দুল মতিন এবং বিশেষ আয়া শিলাকে খালাস দেয়া হয়েছে। শিলা পলাতক।

ঢাকা মেডিকেল থেকে নবজাতক চুরির অভিযোগে ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকার সবুজবাগ থানায় মামলা করেন শিশুর বাবা মনিরুল ইসলাম।

ওই মামলায় আসামি ঝর্ণা, মানিক, শিলা, মতিনকে অব্যাহতির সুপারিশ দিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। আসামিরা তখন ঢাকার পঞ্চম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে অব্যাহতিও পান।

কিন্তু পরে পুলিশ খিলগাঁও থানার রামপুরা ওয়াপদা রোডের একটি বাড়ি থেকে এক নবজাতক শিশুসহ এক নারীকে আটক করে। ওই নারী স্বীকার করেন যে, শিশুটি তার নিজের নয়। সেখানে আরও একটি শিশুর সন্ধান মেলে। পরে দুই নবজাতক চুরি ও পাচারের অভিযোগে ২০০৬ সালের ১২ জানুয়ারি খিলগাঁও থানায় মামলা করেন উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল কবীর।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ৬ জানুয়ারি খিলগাঁও এলাকায় ঝর্ণা বেগম আট থেকে দশ দিন বয়সী ছেলে নবজাতকসহ আটক হন। ঝর্ণা বেগম তখন স্বীকার করেন, ওই বাচ্চা তার নয়। এ ছাড়া তার হেফাজতে আরও একটি কন্যা নবজাতক আছে রামপুরায়। তখন পুলিশ রামপুরা থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে। ঝর্ণা জানান, ছেলে শিশুটি তিনি নিয়ে আসেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মানিক মিয়ার কাছ থেকে। পরে মানিক মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর কন্যাসন্তানটি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান আবদুল মতিনের কাছ থেকে নিয়ে আসেন বলে পুলিশকে জানান।

তদন্ত শেষে খিলগাঁও থানার এসআই আবুল খায়ের ঝর্ণা বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালের ২৬ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়, নবজাতক দুটির প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া যায়নি। মামলায় ১৫ জনের মধ্যে নয়জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ঝর্ণাকে গ্রেফতার করার পর আদালতে এক প্রতিবেদন দিয়ে পুলিশ জানিয়েছিল, নবজাতক সংগ্রহ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাচার করেন ঝর্ণা বেগম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দুবাই ছিলেন।

খালে ভাসমান অবস্থায় মিললো ছাত্রলীগ নেতার ক্ষতবিক্ষত লাশ ২৮ বছর পর সচল সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলা সী পার্লের আইপিও শেয়ার বিওতে জমা দুদকের অমার্জনীয় ভাষায় তলব চিঠি প্রত্যাহারসহ ৪ দফা দাবি মানবতাবিরোধী অপরাধ: রণদা প্রসাদ হত্যার রায় বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে 'রহস্যময়' মাছ টকশো'তে সাংবাদিককে পেটালেন রাজনৈতিক নেতা! (ভিডিও) সহজে রান্না করুন মজাদার আম পাবদা দাঁতের সুরক্ষায় এনামেল-এর যত্ন নিন ট্রেন দুর্ঘটনা: সিলেট গেলেন দুই মন্ত্রী যেভাবে খুন হন ইন্দিরা গান্ধী নরসিংদীর দগ্ধ কলেজছাত্রী ফুলন মারা গেছেন মাশরাফি-সাকিবদের সুবিধা বাড়ানো হবে: প্রধানমন্ত্রী মসজিদ নিষিদ্ধ যে ‘পবিত্র শহরে’ ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিতে অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ক তাজা রাখতে বাদ দিন এ সব কথা জন্মনিরোধক জেল ব্যবহার করলেন প্রথম কোনো পুরুষ সংগীতশিল্পী মিলা লাপাত্তা! সাংবাদিক নিগ্রহে সালমানের বিরুদ্ধে মামলা যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকচাপায় কনস্টেবল নিহত পটিয়ায় মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ২০ ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত এমন গহনা তৈ‌রি করুন ক্রেতা‌রা যেন কলকাতামুখী না হয় এখনও সাম্প্রদায়িক শক্তি হুমকি দিয়ে যাচ্ছে: কাদের পাঞ্জাবির দাম বেশি রাখায় আড়ংকে আবারও জরিমানা দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, ফরমালিন, মসলায় টেক্সটাইল রঙ ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে বিস্ফোরণ ঘটাবে: ইসরাইল সুবিধাবাদী ব্যবসায়ীরা আজ সংসদে: নাসিম চালু হচ্ছে খুলনা-কলকাতা অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ‘ওরা কামালকে ভাড়া করল ওদের জন্য, কাজ করল আমাদের জন্য’