artk

তরিকুল ইসলাম মিঠু, যশোর প্রতিনিধি

শুক্রবার, মে ৩১, ২০১৯ ১১:৫৩

পুরাতন ইট খোয়া-পাথরে চলছে সাড়ে ৬শ কোটি টাকার রাস্তা নির্মাণ

media

যশোরে পুরাতন ইটের খোঁয়া-পাথর আর মাটি মিক্সার করে চলছে ছয়শ ৬৫ কোটি টাকার রাস্তা নির্মাণের কাজ। 

বেশির ভাগ সময়ে দেখা যায় কাজ নির্ধারিত সময় সীমা শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলো তড়িঘড়ি করে যেনতেন কায়দায় কাজ সমাপ্ত করেন। যার ফলে বছর ঘুরতে না ঘুরতেই রাস্তাগুলো আবারো নষ্ট হয়ে যায়। এসব রাস্তায় প্রতি বছর বরাদ্দ থাকলেও দায়সারাভাবে রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হয়। ফলে বছর যেতে না যেতেই রাস্তাগুলো আবার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরুর প্রথম থেকেই নানা অনিয়মের কারণে এলাকার মানুষের ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু না করতে পারায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে বহুগুনে। বেশি নষ্ট হওয়া রাস্তা বাদ দিয়ে ভালো রাস্তাগুলো আগেই খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করে। ফলে বেশি ভাঙাচোরা রাস্তাগুলো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল করছে। তাছাড়া মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগে থেকে কাজ শুরু করায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করাও সম্ভব হবে না বলে জানান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং সড়ক জনপথের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তরা। বিলম্ব হওয়ার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিরা বৃষ্টিসহ নানান প্রকৃতিক দুর্যোগকে দায়ি করছেন। 

একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, কাজ পাওয়া প্রকৃত ঠিকাদার যশোরের স্থানীয় কিছু ঠিকাদারদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মূল ঠিকদারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি কাজ করলে রাস্তা তৈরিতে অনিয়ম কম হতো। যশোর থেকে মাগুরা, যশোর থেকে নড়াইল, যশোর থেকে মনিরামপুর পর্যন্ত প্রিয়েডিং মেইন্ট্যানেন্স প্রোগ্রাম (পিএমপি) বাবদ বরাদ্দের কিছু অংশ হলেও তা আবার বছর ঘুরতে না ঘুরতে আবারও প্রিয়েডিং মেইন্ট্যানেন্সের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে যশোর পালবাড়ির মোড় থেকে অভয়নগর রাজঘাট পর্যন্ত রাস্তায় দুটি প্যাকেজ প্রকল্পের আয়তায় এডিপির বরাদ্দ পায় ৩২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে রাস্তা নির্মাণের জন্য চুক্তি হয় ৩০৪ কোটি টাকা। যশোর পালবাড়ির মোড় থেকে সদর উপজেলার ঘুনির রাস্তার মোড় পর্যন্ত ১৫৭ কোটি টাকা মূল্যে রাস্তাটির কাজ পায় মাহাবুব ব্রাদার্স ও জয়েন্ট ব্রাদার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ঘুনির রাস্তার মোড় থেকে রাজঘাট পর্যন্ত ১৪৭ কোটি টাকার কাজ পায় তমা কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ রাস্তা নির্মাণে উদ্বৃত্ত আছে ৫৭ কোটি টাকা। রাস্তা তৈরির সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয় ২০১৯ সালের মধ্যে। বেনাপোল থেকে যশোর পর্যন্ত দুটি প্যাকেজ প্রকল্পের আয়তায় এডিপির বরাদ্দ পায় ৩২৮ কোটি টাকা। প্রকল্পের ১ এর অধিভুক্ত যশোর দড়টানা থেকে গদখালী পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার ১২৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা মূল্যে কাজ পায় মোজাহার এন্টারপ্রাইজ (প্রা.) লিমিটেড। গদখালী থেকে বেনাপোল জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ১৮.২ কিলোমিটার রাস্তায় ১৩৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা চুক্তিতে কাজটি পায় তাহের  ব্রাদার্স লিমিটেড ও মোজাহার এন্টারপ্রাইজ (প্রা.) লিমিটেড। দুটি প্রকল্পে কাজের চুক্তি হয় ২৬৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। রাস্তা তৈরির শেষ সময় ১৬ অক্টবারে ২০২০ সাল । এ রাস্তা নির্মাণে উদ্বৃত্ত আছে ৬১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। যশোর-মাগুরা ও বেনাপোল বাইপাস সড়কে বরাদ্দ হয় ১৫ কোটি টাকা। 

অপরদিকে যশোর-খুলনা সড়কের দুটি প্রকল্পের পুরাতন ওয়েস্টেস স্বস্ব ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করা হয়েছে ১২ কোটি টাকা। যশোর-বেনাপোল সড়কের দুটি প্রকল্পের পুরাতন ওয়েস্টেস স্বস্ব ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করা হয়েছে ১৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

পুলের হাটের ব্যবসায়ী নওশের আলীসহ একাধিক ব্যবসায়ী জানান, রাস্তার যে অংশ ভালো ছিল আগেই সেই অংশগুলো খোঁড়া হয়েছে। রাস্তার ভাঙা যেসব অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচলের একেবারেই অনুাপযোগী ছিল সেগুলো এখনো পর্যন্ত সে রকমই পড়ে আছে। রাস্তায় কাজ করার লোকজন বলছে, ভাঙা রাস্তাগুলো মেরামত করলে রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার আগেই আবার সেগুলো কাজ করতে হবে। তাই সেগুলো ফেলে রেখে ভালো রাস্তাগুলো খুড়েঁ সেই রাস্তার কাজ আগে করা হচ্ছে।

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পাশে মান্দার তলা নামক স্থানে গিয়ে দেখা যায় মোহাজার এন্টারপ্রাইজ (প্রা.) লিমিটেডের অস্থায়ী অফিস। এখানে সমস্ত রাস্তা খুড়ে ওয়েস্টেস সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। তার পাশে উঁচু করে রাখা হয়েছে কিছু নতুন পাথর। প্রথম থেকে সেই পাথরগুলো যেমনটা ছিল ঠিক তেমনটা রয়েছে। 

মহাসড়কের কাজের একটা বড় অংশ প্রায় শেষ হলেও সংরক্ষিত পাথরের পরিমাণ কমেনি। পাশাপাশি কয়েকটি মেশিনে সেগুলো মিক্সারিং করা হচ্ছে। সেগুলো আবার রাস্তা তৈরিতে ব্যবহারের জন্য আরো কয়েকটি ট্রাকে করে মহাসড়কে নেয়া হচ্ছে। মহাসড়কে মাটি কাটা মেশিন দিয়ে এক পাশ থেকে রাস্তা খুঁড়ে পুরাতন পিচ ও খোঁয়া ওঠাচ্ছে। অন্য ট্রাকে এসে মহাসড়কের খুঁচা জায়গা পূরণ করছে রি-মিক্সিং করা সেই পুরাতন খোয়া, পাথর দিয়ে। সামান্য কিছু স্থানীয় অতিনিম্নমানের বালু ব্যবহার করছে। পানি ব্যবহার না করেই অপর প্রান্ত দিয়ে মেশিন দিয়ে রোলার করে সমান করে দেয়া হচ্ছে। তার ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে শত শত বাস-ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন। যানবাহন অতিক্রম করার পরে পেছন থেকে তাকালে মনে হবে কালবৈশাখী ঝড়ে কোনো বালিয়াড়ী প্রান্তরের ধুলার মেঘ উড়ে আসছে। ধুলা এতটাই প্রকট যে, পেছন থেকে খুব নিকট থেকে একটা বাস অরেকটি বাসকে দেখাও দূরুহ। 

যশোর প্রেমবাগ স্কুলের সামনে অপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের অস্থায়ী অফিসে গিয়েও দেখা যায় একই চিত্র। অফিসের সীমানা সংলগ্ন স্থানে রাস্তার পুরাতন ওয়েস্ট পাথর-খোঁয়া নিয়ে জড়ো করে রাখা হয়েছে। স্থানীয় ইটের ভাটায় দীর্ঘ দিন ধরে পড়ে থাকা আধলা ইটের নিম্নমানের খোয়া, নিম্নমানের বালু নিয়েও সেখানে রাখা হয়েছে। দিন-রাত সেগুলো মিক্সার মেশিনে মিক্স করে আবার মহাসড়ক নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

যশোর রাজারহাট বাজারের সন্নিকটে মাহাবুব ব্রাদাস (প্রা.) লিমিটেডের অস্থায়ী অফিসে গিয়েও দেখা যায় একই ধরনের চিত্র। এই প্রতিষ্ঠানটিও রাস্তা খোঁড়াখুড়ির সমস্ত পুরাতন ওয়েস্টেস ট্রাকে করে নিয়ে অফিসের এক প্রান্তে রেখেছে। সেখানেই মিক্সার মেশিন দিয়ে পুরাতন এ পাথর ও খোঁয়া রি-মিক্সার করা হচ্ছে। অপর প্রান্ত থেকে কয়েকটি ট্রাকে করে সেগুলো আবারও রাস্তায় নিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় ঢালার সাথে সাথে রোলার গাড়ি দিয়ে সেগুলো রোলার করে দেয়া হচ্ছে। এসব রাস্তা তৈরিতে না দেয়া হচ্ছে ভালো মানের বালু, না দেয়া হচ্ছে পাথর-খোঁয়া। ফলে যানবহন চলাচলের সময়ে রাস্তার সেই পাথর-খোঁয়া ছুটি গিয়ে লাগছে ছোঁট গাড়ির যাত্রীদের। 

রাজারহাটের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, রাস্তা তৈরি করা নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্টানগুলো যেন তামাশা করছে। সেই আগের পুরাতন-খোঁয়া দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে রাস্তা তৈরির কাজ। অস্থায়ী অফিসে কিছু নতুন পাথর রেখে দিয়েছে, সেই পাথরগুলো সেইভাবে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। কাজের শেষে এগুলো ট্রাকে করে আবার উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে অন্য কোথাও। প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বলবে এগুলো কাজ করার পরে বেশি হয়ে গেছে। তাই তারা এগুলো এখান থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। 

মাহাবুব ব্রাদার্সের প্রকল্প ম্যানেজার মাসুদুর রহমান জোয়ারদারের কাছে কাজের ধরন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাদেশ ডটকমকে বলেন, “ওয়ার্ক ওর্ডারে যেভাবে আছে আমরা সেভাবেই কাজ করছি। পুরাতন পাথর-খোয়া দিয়ে নতুন করে রাস্তা নির্মাণের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, যদি পুরাতন খোয়া-পাথর ব্যবহার না করা হয় এত পাথর-খোঁয়া বাংলাদেশে কোথাও পাওয়া যাবে না। তাই সড়ক জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলীদের কাছ থেকে রাস্তার পুরাতন-পাথর খোঁয়া কিনে নিয়ে সেগুলোর সাথে কিছু নতুন পাথর-খোঁয়া দিয়ে আবার নতুন করে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। তবে, রাস্তার মান নিয়ন্ত্রণে এতে কোনো ঘাটতি হবে না।”

উল্লেখ্য ২০১৫-১৬ অর্থবছরের যশোরে পাঁচটি মহাসড়াকে বরাদ্দ পায় ৫৫ কোটি ২০ লাখ ৬১ হাজার টাকা। এসব বরাদ্দের মধ্যে ছিল ২১ কোটি ২২ লাখ ৮১ হাজার টাকা ব্যয়ে নাভারণ-ইলিশপুর সড়ক। সাত কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজার হাট চুকনগর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার। ১০ কোটি ৭৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে রাজারহাট চুকনগরের বাকি ১৮ কিলোমিটার। পালবাড়ি থেকে মুড়ালী পর্যন্ত ছয় কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। কেশবপুর থেকে সরষকাঠি, কেশবপুর-বেতগ্রাম, মদনপুর কলেজ মোড় থেকে ত্রিমোহনী বাজার পর্যন্ত সাড়ে ২৭ কিলোমিটার সড়কে আট কোটি ৬২ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল।

রাস্তা নতুন করে নির্মাণের জন্য ১২ নভেম্বর ২০১৫ সালে যশোর থেকে চুকনগর সড়কের কাজ পেয়েছিল খুলনার মাহাবুব ব্রাদার্স। কাজ শেষ হয় ২৮ মার্চ ২০১৬ সালে। ২০১৫ সালের ১৬ জুলাই যশোর রাজারহাট থেকে চুকনগর কাজ পেয়েছিলেন সিলেটের মেসার্স জামিল ইকবল। কাজ শেষ সমাপ্ত করেন ২০১৫ সালের ৩১ নভেম্বর। 

২০১৬ সালের ৭ মার্চ পালবাড়ি-দড়াটানা-মনিহার-মুড়ালী সড়কের কাজ পেয়েছিলেন যশোরের মঈনউদ্দিন বাঁশি। কাজটি শেষ করেন ২০১৬ সালের ৪ জুলায়। কিন্তু সেই রাস্তা গত এক বছর নষ্ট হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে। গত বছরেই সেই ভাঙা রাস্তার ওপর ইটের সোলিং দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ভারী যানবহন চলাচল করছে। 

২০১৫ সালের ২৫ নভেম্বর কেশবপুর-সরষকাঠি, কেশবপুর-বেতগ্রাম, মদনপুর কলেজ মোড়-ত্রিমোহনী বাজার পর্যন্ত কাজ পেয়েছিল বাগেরহাটের মেসার্স মোজাহার এন্টারপ্রাইজ। কাজ শেষ করে ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট। সে রাস্তাও ইতোমধ্যে  নষ্ট হয়ে গেছে।

মহাসড়ক নির্মাণের নানা অনিয়মের বিষয়ে যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এস.এম. মুয়াজ্জেম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাদেশর এ প্রতিনিধির কাছে উল্টো প্রশ্ন করেন, আপনি কি ইঞ্জিনিয়ার? আপনি কিভাবে বুঝবেন রাস্তা তৈরিতে অনিয়ম হচ্ছে। তার পরে বলেন, রাস্তা তৈরির ওয়ার্ক ওর্ডারেই বলা আছে রাস্তার পুরাতন ওয়েস্টেস দিয়ে রাস্তা তৈরি করতে পারবে? পুরাতন ওয়েস্টেসের সব মালামালই তো আর নষ্ট হয়ে যায় না। ওয়েস্টেসের কিছু মালামাল ভালো থাকে? সেগুলোর সাথে নতুন করে মালামাল সংযুক্ত করে নতুন করে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। তবে আপনারা যদি অনিয়ম সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে পারেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রকল্পের অবশিষ্ট ৭৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা কোন পন্থায় ব্যয় করা হবে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিদুৎ বিল, রাজস্ব ব্যয় ও ইউটিলিটিশিপমেন্ট বাবদ এসব টাকা ব্যয় করা হবে। রাস্তার পুরাতন ওয়েস্টেস বিক্রির ৩০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা সরকারি ফান্ডে জমা থাকবে বলে তিনি জানান। 

পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট ধর্ষক: প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাসের কারণে হজে যাওয়া না হলে টাকা ফেরত: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী দাঙ্গা নয়, দিল্লিতে পরিকল্পিত গণহত্যা হয়েছে: মমতা ভারতের সম্মান তলিয়ে দিয়েছে মোদি সরকার: মমতা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সুনামগঞ্জে এনামুল-রুপন ছয় দিনের রিমান্ডে পিরোজপুরে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা চলতি বছরই তিস্তা চুক্তির সম্ভাবনা: শ্রিংলা ঢাকা উত্তরের নির্বাচন বাতিল চেয়ে তাবিথের মামলা খুলনায় ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা অভিনেতা গোলাম মুস্তাফার জন্মদিন সোমবার আদালতে টাউট-বাটপার শনাক্তের নির্দেশ পাওয়ার ট্রলিকে ধাক্কা দিয়ে বিকল রেলইঞ্জিন কলকাতা সফরে এসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে অমিত শাহ রোবট চালাবে গাড়ি! ভিপি নূরকে হত্যার হুমকি দেয়ার পর দুঃখ প্রকাশ টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৭ জন নিহত রাখাইনপ্রদেশে সেনাদের গুলিতে শিশুসহ ৫ রোহিঙ্গা নিহত ইস্কাটনে ভবনে আগুন: মায়ের পর চলে গেলেন রুশদির বাবাও চট্টগ্রামে একটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২ দেশে প্রতিদিন যক্ষ্মায় মারা যায় ১৩০ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনাভাইরাস আতঙ্কে আয়ারল্যান্ডের স্কুল বন্ধ ঘোষণা বিশিষ্ট সুরকার সেলিম আশরাফ আর নেই মোদীকে অতিথি হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধুর যত জাদুকরী গুণ চিপসের প্যাকেটের ভিতর খেলনা নয়: হাইকোর্ট আমার গাড়িতেও অস্ত্র আছে কী না আমি জানি না: শামীম ওসমান ফ্র্যান্সেও করোনা, অনিশ্চিত কান চলচ্চিত্র উৎসব উপনির্বাচন: গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রতীক বরাদ্দ গুজব ও গণপিটুনি রোধে হাইকোর্টের ৫ নির্দেশনা