artk
মঙ্গলবার, অক্টোবার ১৫, ২০১৯ ৮:৫২   |  ৩০,আশ্বিন ১৪২৬
মঙ্গলবার, মে ২১, ২০১৯ ৬:০০

২ লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন

স্টাফ রিপোর্টার
media

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) আগামী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করেছে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) আগামী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে এনইসি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনইসি সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের মূল এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সেই তুলনায় নতুন অর্থবছরের এডিপির আকার বাড়ছে ১৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। আর সংশোধিত এডিপির তুলনায় নতুন এডিপিতে বরাদ্দ বাড়ছে ২১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নতুন এডিপিতে পদ্মা সেতু ও পদ্মা সেতুতে রেলসংযোগসহ অন্যান্য গুরুত্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে পরিবহন খাতে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয় হিসেবে সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

নতুন এডিপিতে মোট প্রকল্প ১৫৬৪

নতুন এডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১ হাজার ৫৬৪টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প রয়েছে ১ হাজার ৩৫৮টি, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ১১৬টি, জেডিসিএফ প্রকল্প ১টি এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নিজস্ব প্রকল্প রয়েছে ৮৯ টি। অন্যদিকে সমাপ্তর জন্য নির্ধারিত প্রকল্প ধরা হয়েছে ৩৫৫টি। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) প্রকল্প ৬২টি। বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির সুবিধার্থে বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প ২৪২টি এবং বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প রয়েছে ১ হাজার ৪৫টি। এ ছাড়া বরাদ্দসহ অনুমোদিত নতুন প্রকল্প রয়েছে ৪১টি।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের নামে অহেতুক ও অতিরিক্ত জমি নেওয়া যাবে না। ফসলি জমিতে হাত দেওয়া যাবে না। যেসব প্রকল্প সমাপ্ত হচ্ছে না, সেগুলো কেন হচ্ছে না প্রধানমন্ত্রী তা খতিয়ে দেখতে বলেছেন। প্রয়োজনে সহায়তা দিয়ে হলেও শেষ করার ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।

এদিকে পরিকল্পনামন্ত্রী এডিপি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে জানান, চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন (জুলাই-থেকে) ৫৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ সময়ে ব্যয় হয়েছিল ৯৭ হাজার ৩০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে বাস্তবায়ন হয়েছে ৫২ দশমিক ৪২ শতাংশ,ওই সময়ে ব্যয় হয়েছিল ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা।

খাত ভিত্তিক বরাদ্দে সর্বোচ্চ পরিবহন খাতে

আগামী অর্থবছরে জন্য খাত ভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে পরিবহন খাতে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পদ্মা সেতু ও পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পের গুরুত্ব বিবেচনায় পরিবহন খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৫২ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ২৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। এ ছাড়া অগ্রাধিকার খাত বিবেচনায় বিদ্যুৎ খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ১২ শতাংশ।

অন্যান্য খাতে বরাদ্দের পরিমাণ হচ্ছে—শিক্ষার প্রসার ও গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষা ও ধর্ম খাতে চতুর্থ সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৩ ৭৯ কোটি ১২ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এ ছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ নির্মাণসহ তথ্য ও প্রযুক্তি প্রসারের লক্ষ্যে বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে পঞ্চম সর্বোচ্চ বরাদ্দ ১৭ হাজার ৫৪১ কোটি ২৬ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনা ও অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য পল্লি উন্নয়ন ও পল্লি প্রতিষ্ঠান খাতে ১৫ হাজার ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে স্বাস্থ্য,পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ খাতে ১৩ হাজার ৫৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা যা মোট এডিপির ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষি খাতে খাতে ৭ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা বা ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ বরাদ্দ ধরা হয়েছে। নদী ভাঙন রোধ ও নদীর ব্যবস্থাপনার জন্য পানি সম্পদ খাতে ৫ হাজার ৬৫২ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ বরাদ্দ ধরা হচ্ছে এবং মানব সম্পদ উন্নয়নসহ দক্ষতা বৃদ্ধিতে জনপ্রশাসন খাতে ৫ হাজার ২৪ কোটি টাকা বা ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সর্বোচ্চ বরাদ্দ স্থানীয় সরকারে 

মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২৯ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ ২৬ হাজার ১৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২৫ হাজার ১৬৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এ ছাড়া বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রথম ১০ নম্বরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো হচ্ছে-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১৫ হাজার ৯০৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয় ১২ হাজার ৫৯৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ৯ হাজার ৯৩৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৯ হাজার ২৭০ কোটি টাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ ৮ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা, সেতু বিভাগ ৮ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ২৫৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা খসড়া বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে চীনা প্রকৌশলীর মৃত্যু হবিগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত সর্দার নিহত কোটচাঁদপুরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী তৃতীয় লিঙ্গের পিংকি কাউয়াদের বের করতে না পারলে অশনিসংকেত ডেকে আনবে: নানক পারমাণবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোম্পানি গঠনে খসড়া অনুমোদন একসঙ্গে নোবেলজয়ী দম্পতিরা দাবি পূরণের আশ্বাস পেয়ে অটোরিকশা ধর্মঘট স্থগিত যে ৯ খাতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ প্রকাশ্যে বৈধ অস্ত্রও প্রদর্শন করা যাবে না সস্ত্রীক নোবেলজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে তুর্কি হামলা ঠেকাতে কুর্দিদের সঙ্গে চুক্তি করলেন আসাদ পুঁজিবাজারে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে আইসিবি আবরার হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর গাজীপুরে ২ মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ঘুষের টাকাসহ পাসপোর্ট অফিসের অফিস সহায়ক গ্রেফতার মুক্তিযোদ্ধা বাবার কবরে বাথরুম! ড. ইউনূসের গ্রেফতারি পরোয়ানা হাইকোর্টে স্থগিত মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ উন্নয়নের সুফল পাচ্ছেন: মেনন নাইক্ষ্যংছড়িতে ভোটকেন্দ্রে বিজিবির গুলি, নিহত ১ ছাত্রলীগের কারণে সমগ্র ছাত্র রাজনীতি দায়ী হতে পারে না: রিজভী সৌরভের কাছে দুর্দান্ত ইনিংস চান মমতা পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক হবে অক্টোবরের শেষে: বাণিজ্যমন্ত্রী অমিতকে স্থায়ী বহিষ্কার করলো ছাত্রলীগ ভারতের সাথে হার বাংলাদেশের মেয়েদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গণভবনে আবরারের বাবা-মা মঙ্গলবার থেকে ৩ দিনের সিএনজি ধর্মঘট ‘বেসিক ব্যাংকের ঘটনায় দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ করা উচিত’ অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অভিজিত ব্যানার্জি কুমিল্লায় ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড পুঁজিবাজারে সব ধরনের সূচকে পতন