artk
বুধবার, মে ২২, ২০১৯ ১১:৫৫   |  ৮,জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
বুধবার, মে ১৫, ২০১৯ ৫:১৩

মিয়ানমার সেনাদের ‘একঘরে’ করার আহ্বান জাতিসংঘের

স্টাফ রিপোর্টার
media

ছবি: রয়টার্স

যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে ‘একঘরে’ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশন।  

যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে ‘একঘরে’ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশন।  

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট এ কথা বলা হয়েছে। 

সেখানে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধানী মিশন (এফএফএম) এসব আহ্বান জানিয়েছে।

বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ায় ১০ দিনের সফর শেষে এফএফএমের চেয়ারপারসন ও ইন্দোনেশিয়ার সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মারজুকি দারুসমান বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দেওয়া সব ধরনের আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা বন্ধ করে ওই বাহিনীর কমান্ডারদের একঘরে করা প্রয়োজন। মিয়ানমার সংঘাত নিরসনে এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে চলে যাওয়া রোহিঙ্গাসহ সবার মানবাধিকার রক্ষায় যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি বলে এসব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর মতে, সংকট নিরসনে মিয়ানমার কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় পুরোপুরি অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশে তথ্যানুসন্ধানী মিশন কক্সবাজারের কুতুপালং শিবির পরিদর্শন করেছে। সেখানে দারুসমান রোহিঙ্গাদের জানান, তথ্যানুসন্ধানী মিশনের মেয়াদ চলতি সেপ্টেম্বরে শেষ হবে। এরপর এই মিশন মানবাধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠিত মিয়ানমারবিষয়ক নতুন স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থার হাতে তথ্য-প্রমাণ হস্তান্তর করবে।

মারজুকি দারুসমান বলেন, মিয়ানমার সরকারের উচিত সে দেশে অবস্থানরত অবশিষ্ট রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবনমানের প্রকৃত উন্নয়নে মনোযোগী হওয়া। ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ২০১২ সালের সহিংসতার সময় বাস্তুচ্যুত হয়ে এখন এমন শিবিরে বসবাস করছে, যেখানে চলাচলের স্বাধীনতা সীমিত। তাঁর মতে, রাখাইনে ২০১৭ সালে কিংবা ২০১২ ও ২০১৬ সালে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর হওয়া নিপীড়ন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।

মিশনের সদস্য অস্ট্রেলিয়ার সাবেক মানবাধিকার হাইকমিশনার ক্রিস্টোফার সিডোটি বলেন, অতীতে সংগঠিত এবং অব্যাহত মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবে অর্থের সরবরাহ বন্ধ করা এবং সহিংসতা কমাতে অবশ্যই মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আর্থিক যোগাযোগগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে গত সেপ্টেম্বরে স্বাধীন তথ্যানুসন্ধানী মিশন ৪৪৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কীভাবে দেশজুড়ে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার লোকজনের ওপর নৃশংস ও পদ্ধতিগতভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, তার চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ২০১৭ সালে সেনাবাহিনীর অভিযান ছিল মূল প্রতিপাদ্য। ওই বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তাচৌকিতে হামলার জেরে সেখানে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী। নির্বিচারে হত্যা করা হয় হাজারো রোহিঙ্গাকে। নারী ও কিশোরীদের ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি করা হয়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় গ্রামের পর গ্রাম। দুই মাসের মধ্যে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে চলে যেতে বাধ্য হয়। তবে মিয়ানমারের সরকার ও সেনাবাহিনী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

রেলসেবা অ্যাপে মিলছে না একটি টিকিটও আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত দল ঘোষণা অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ৩ শতাধিক লঞ্চযাত্রী পিএসসিতে স্বাস্থ্য ক্যাডারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ সিডনিতে বিএসসিএ’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত চিত্রশিল্পী ধোনি! ইতিকাফ ইবাদতকে ফলপ্রসূ করে তারায় তারায় মিলন সেপ্টেম্বর থেকে ফেইসবুক-ইউটিউব নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার আট বছর বয়সেই ১০৬ ভাষায় পারদর্শী! ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু বুধবার মেহেরপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১ পানিশূন্যতা কি রোজা ভঙ্গের কারণ হতে পারে? পুলিশের ডিম ভাঙার তদন্ত শেষ, ওসিকে প্রত্যাহার সন্তানকে হাসপাতালে রেখে উধাও ‘বাবা-মা’ গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজ গণতন্ত্রের বিকাশে ভূমিকা রাখছে: স্পিকার রকেটের চেয়েও দ্রুত গতিতে জাল বুনে মাকড়সা! জামিনে কারামুক্ত হলেন বিএনপি নেতা রবি দেশজুড়ে বিড়ি ভোক্তাদের বিক্ষোভ, কর প্রত্যাহারের দাবি প্রভাবশালীদেরও আইনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে: দুদক চেয়ারম্যান ভারতে নাগা জঙ্গিদের হাতে বিধায়কসহ নিহত ১১ যতদিন সিগারেট থাকবে ততদিন বিড়ি রাখার দাবি ভোক্তাদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের শর্তে পাটকলশ্রমিকদের আন্দোলন স্থগিত রানার শেয়ারে দর বেড়েছে ৩৩ শতাংশ ৬৮ বছরের বৃদ্ধকে বিয়ে করছেন সেলেনা! ইভিএমে কারচুপি নিয়ে শঙ্কিত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি বগুড়া উপনির্বাচন বর্জনের ঘোষণা বাম জোটের ছুটিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সাকিব-মুশফিকরা আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় ৫ জনের ১৩ বছর কারাদণ্ড পুঁজিবাজারে সূচকের পতন