artk
বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯ ১০:০৫   |  ৩,শ্রাবণ ১৪২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, এপ্রিল ৯, ২০১৯ ৯:৪৭

মেয়ের ধর্ষককে হত্যা করে ‘সিংহী মা’ হলেন যিনি

media

মায়ের সাথে মেয়ে সিফোকাজি (বামে)

নকুবঙ্গা কাম্পি দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিচিত হয়ে উঠেছেন একজন ‘লায়ন মামা’ অর্থাৎ ‘সিংহী মা’ হিসেবে। তার মেয়ের তিন ধর্ষণকারীর একজনকে হত্যা এবং বাকি দুজনকে মেরে আহত করার পর লোকজন তাকে এভাবেই ডাকতে শুরু করে।

এই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছিল কিন্তু জনগণের প্রতিবাদের কারণে তার বিচার বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

এর ফলে এখন তিনি তার মেয়ের সেরে ওঠার ব্যাপারে তাকে সাহায্য করার সময় পেয়েছেন।

রাতে বেজে উঠলো ফোন

নকুবঙ্গা কাম্পির কাছে যখন ফোনটা এলো তখন মধ্যরাত। ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। ফোনের ওপাশে তার মেয়ে সিফোকাজি। নকুবঙ্গার কাছ থেকে ৫০০ মিটার দূরে। সিফোকাজি তার মাকে জানালেন যে তিনজন পুরুষ তাকে ধর্ষণ করেছে এবং তাদেরকে তারা সবাই বেশ ভালো মতোই চেনে।

খবরটা শুনে নকুবঙ্গা প্রথমেই তার মেয়েকে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করতে বললেন। কিন্তু ওপাশ থেকে তিনি কোনো সাড়া পেলেন না।

মা নকুবঙ্গা জানতেন পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলেও দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেইপ প্রদেশের প্রত্যন্ত এই গ্রামটিতে পৌঁছাতে তাদের অনেক সময় লাগবে।

সিফোকাজি ভেবেছিলেন এরকম একটা সময়ে সাহায্যের জন্যে হয়তো তার মা-ই একমাত্র আছেন, যিনি এগিয়ে যেতে পারেন।

“আমি খুব ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু আমি যেতে বাধ্য হলাম কারণ সে তো আমারই মেয়ে,” বলেন মা নকুবঙ্গা।

“আমি ভাবছিলাম যখন আমি পৌঁছাবো তখন হয়তো দেখবো সে মরে পড়ে আছে। কারণ সে তো ধর্ষণকারীদের চিনতো।”

“ওই লোকগুলো যেহেতু তাকে চেনে, সে কারণে ওরা নিশ্চয়ই আমার মেযেকে মেরে ফেলতো - যাতে সে ধর্ষণের ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে না পারে।”

সিফোকাজি কয়েকজন বন্ধুর সাথে দেখা করতে ওই গ্রামেরই আরেকটি বাড়িতে গিয়েছিলেন।

তিনি যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তার বন্ধুরা তাকে একা রেখে বাড়ির বাইরে চলে যায়। রাত দেড়টার দিকে আশেপাশের আরেকটি বাড়ি থেকে তিনজন মাতাল পুরুষ এসে তাকে আক্রমণ করে।

ছুরি নিয়ে বের হয়ে গেলেন মা

নকুবঙ্গা যে বাড়িতে থাকেন তাতে বেডরুম ছাড়াও আছে আরো দুটো ঘর। ঘুম থেকে ওঠে তিনি কিচেনে গিয়ে সেখান থেকে একটি ছুরি হাতে নিলেন।

“ছুরিটা আমি নিয়েছিলাম আমার নিজের জন্য। রাতের অন্ধকারে যখন রাস্তা দিয়ে ওই বাড়িতে হেঁটে যাবো, ভেবেছিলাম ওটা আমার জন্যে নিরাপদ হবে না। খুব অন্ধকার ছিল বাইরে। মোবাইল থেকে টর্চের আলো জ্বালিয়ে পথ দেখে দেখে আমাকে যেতে হয়েছিল।”

মা নকুবঙ্গা যখন ওই বাড়ির কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছালেন তখন তিনি মেয়ের চিৎকার শুনতে পেলেন।

বাড়িটির বেডরুমে ঢোকার পর মোবাইল ফোনের টর্চের আলোতে তিনি দেখলেন সেই ভয়াবহ দৃশ্য, তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হচ্ছে।

“খুব ভয় পেয়ে যাই। কোনো রকমে দরজার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। জিজ্ঞেস করলাম তারা ওখানে কী করছে। আমাকে দেখে তারা আমার ওপর আক্রমণ চালাতে ছুটে এলো। ঠিক ওই মুহূর্তে আমার নিজেকে বাঁচানোর কথা মনে হয়েছিল।”

তার পর কী কী হয়েছিল নকুবঙ্গা সে বিষয়ে আর বিস্তারিত বলতে চাইলেন না।

মায়ের চোখের সামনে

এই মামলার বিচারের সময় বিচারক আদালতে বলেছিলেন, “নকুবঙ্গার সাক্ষ্য থেকে বোঝা যায় যে তিনি কতোটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। কারণ তিনি দেখতে পেলেন যে তার মেয়েকে তার চোখের সামনে ধর্ষণ করা হচ্ছে।”

“তিনি বলেছেন যে তিনজন পুরুষের একজন তার মেয়েকে ধর্ষণ করছিল, আর দুজন প্যান্ট খোলা অবস্থায় পাশেই দাঁড়িয়েছিল। তারা অপেক্ষা করছিল তাদের পালা কখন আবার আসবে।”

বিচারক এম্বুলেলো জলওয়ানা বলেন, “তিনি যে খুব ক্রুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন সেটা বোঝা যায়।”

এটা পরিষ্কার যে ওই পুরুষরা যখন নকুবঙ্গাকে আক্রমণ করে তখন তিনিও তার ছুরি দিয়ে পাল্টা আঘাত করেছিলেন। যখন তারা পালাতে উদ্যত হয় তখন তিনি ছুরি মারেন।

তাদের একজন জানালা দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ধর্ষণকারীদের দুজন গুরুতর আহত হয় এবং অন্যজন মারা যায়।

ওই লোকগুলো কতোটা আহত হয়েছিল নকুবঙ্গা সেটা দেখার জন্য ওই বাড়িতে আর অবস্থান করেন নি। বরং তার মেয়েকে নিয়ে চলে যান কাছেই এক বন্ধুর বাড়িতে।

পুলিশ এসে নকুবঙ্গাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেলো। তাকে নিয়ে যাওয়া হলো স্থানীয় একটি পুলিশ স্টেশনে। সেখানে একটি সেলে তাকে বন্দী করে রাখা হলো।

“আমি শুধু আমার মেয়ের কথা ভাবছিলাম,” বলেন তিনি, “তার কোনো খবর ছিল না আমার কাছে। এটা এক দুঃসহ অভিজ্ঞতা।”

মেয়ে হাসপাতালে

মেয়ে সিফোকাজিকে ততক্ষণে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। সেখানে শুয়ে শুয়ে ভাবছিলেন মায়ের যেন কী অবস্থা! আর খুনের কারণে মাকে কতো বছর জেলে কাটাতে হবে- সেটা ভেবে তিনি অস্থির হয়ে পড়েছিলেন।

“তাকে যদি কারাগারে যেতে হয়ে, তার হয়ে আমি জেল খাটতে রাজি আছি,” বলেন সিফোকাজি।

মেয়ে সিফোকাজি এখন ওই রাতে তার ওপর চালানো হামলার খুব সামান্যই স্মরণ করতে পারেন। কিন্তু তিনি মনে করতে পারেন যে দুদিন পর তার মা হাসপাতালে গিয়ে হাজির হয়েছিলেন। জামিনে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছিল মেয়ের সাথে দেখা করার জন্যে।

এর পর থেকেই তারা দুজনে একে অপরকে মানসিকভাবে সাহায্য দিয়ে আসছেন। “আমাকে কোনো কাউন্সেলিং দেয়া হয়নি। কিন্তু আমার মা আমাকে সহযোগিতা করছেন। আমি সেরে উঠছি,” বলেন সিফোকাজি।

মা নকুবঙ্গা চান আগের মতোই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে। সেজন্যে চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

“আমি তো এখনও একজন মা এবং সে একজন কন্যা,” বলেন তিনি। তারা এখন একসাথে হাসেন, কাঁদেন। সুখ দুঃখের গল্প শেয়ার করেন। মজাও করেন তারা। বলেন, সিফোকাজি বিয়ে করতে পারছে না কারণ বিয়ে হয়ে গেলে মা নকুবঙ্গাকে দেখার আর কেউ থাকবে না।

নকুবঙ্গার আইনজীবী বুলে টনিস বলেন, ঘটনার এক সপ্তাহ পর তিনি যখন তাদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, মনে হয়েছিল তারা জীবনের হাল ছেড়ে দিয়েছেন।

“তাদের দারিদ্র এতোটাই প্রকট যে তারা ভাবছিল একজন জেলখানায় চলে গেলে আরেকজনের তখন কী হবে। তার পাশে তো দাঁড়ানোর কেউ থাকবে না। বিচার ব্যবস্থা তাদের জন্যে- যাদের কাছে অর্থ আছে।”

তিনি যখন মা ও মেয়ের সাথে কথা বলছিলেন তখন তারা ঠিকমতো কথাও বলতে পারছিলেন না। তার মনে হলো ওই ঘটনা যেন তাদের মুখের কথাও কেড়ে নিয়েছে।

দিনে ১১০টি ধর্ষণ

দক্ষিণ আফ্রিকাতে প্রচুর ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। বলা হয় যে দিনে গড়ে ১১০টির মতো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং এই পরিস্থিতিকে প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা দেশের জন্য জাতীয় সঙ্কট বলে উল্লেখ করেছিলেন।

ইস্টার্ন কেইপ প্রদেশে, যেখানে সিফোকাজিকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, দেশটির অন্যতম দরিদ্র এলাকা, বেকারত্বের হার ৪৫ শতাংশ।

অন্য যে কোনো জায়গার চেয়ে এই প্রদেশে ধর্ষণের ঘটনাও ঘটে বেশি। নকুবঙ্গা এবং সিফোকাজি যে গ্রামে থাকেন, সেই গ্রামেই ২০১৭/১৮ সালে ৭৪টি ধর্ষণের ঘটনা পুলিশের কাছে রিপোর্ট করা হয়েছে।

যে গ্রামে মাত্র পাঁচ হাজারেরও কম মানুষের বসবাস, সেখানে এই সংখ্যা খুবই বেশি।

আলোড়ন তুললো এই খবর

কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় এতো সব ধর্ষণের খবরের মধ্যে সিফোকাজি ও নকুবঙ্গার ঘটনা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলো। ধর্ষিতা মেয়েকে বাঁচাতে মায়ের এই গল্প উঠে এলো সংবাদ মাধ্যমে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লো খুব দ্রুত।

মা ও মেয়ের পরিচয় গোপন রাখতে গিয়ে একটি পত্রিকা মায়ের নাম দিল ‘লায়ন মামা’ অর্থাৎ ‘সিংহী মা’। খবরটির পাশে একটি ছবি ছাপা হলো যাতে একটি সিংহী তার শাবককে আগলে রেখেছে।

এই নামটি খুবই আলোড়ন সৃষ্টি করলো।

মা নকুবঙ্গা বলেন, “প্রথমে এটা আমার পছন্দ হয়নি। কারণ আমি কিছু বুঝতে পারিনি। কিন্তু পরে যখন বুঝলাম যে আমাকে একজন বীর হিসেবে পরিচয় দেয়া হয়েছে তখন খারাপ লাগেনি। একটা সিংহ তার বাচ্চাকে তো রক্ষা করবেই।”

নকুবঙ্গার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করলো দক্ষিণ আফ্রিকার লোকজন। তার আইনি লড়াই-এ সহযোগিতা করতে তারা অর্থ সংগ্রহেও নেমে পড়ে।

তার পর থেকে ধীরে ধীরে তার প্রতি জনগণের সমর্থন বাড়তেই লাগলো। মানসিকভাবেও তিনি কিছুটা শক্তি পেতে শুরু করলেন।

ঘটনার এক মাস পর তিনি উপস্থিত হলেন স্থানীয় একটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। “আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে আমি ভয়ে ছিলাম। সকালে ঘুম থেকে আমি প্রার্থনা করলাম।”

তিনি যখন আদালতে গিয়ে হাজির হলেন, দেখলেন সেখানে তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আরো বহু শুভাকাঙ্ক্ষী ইতোমধ্যেই জড়ো হয়েছেন।

“সারা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেই লোকজন এসেছিল। আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। তারা আমাকে খুব জোরালো সমর্থন দিয়েছিল। দিয়েছিল আশাও।”

তুলে নেয়া হলো মামলা

তখন তাকে খুব দ্রুত আদালতের সামনে হাজির করা হলো এবং বলা হলো যে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

“আমি শুধু দাঁড়িয়ে ছিলাম। খুব খুশি হয়েছিলাম তখন। তখন বুঝলাম যে কোনটা ভুল আর কোনটা ঠিক বিচার ব্যবস্থা সেটা নির্ধারণ করতে পারে। তারা ঠিকই বুঝতে পেরেছিল যে কারো জীবন কেড়ে নেয়া আমার লক্ষ্য ছিল না।”

তার আইনজীবী বলেন, “মামলা তুলে নেয়ার পর মা তার মেয়েকে ডাকলেন। সেদিনই প্রথম আমি তার মেয়েকে হাসতে দেখলাম। সেদিন সে বলেছিল যে ধর্ষণকারীদের সে জেলখানায় দেখতে চায়।”

এজন্যে তাদেরকে আরো এক বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে বেঁচে থাকা দুজন ধর্ষণকারীকে ৩০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

সিফোকাজির বয়স এখন ২৭। ধর্ষণকারীদের বিচার ও সাজা হওয়ার কারণে তিনি খুশি। “কিছুটা নিরাপদও বোধ করি আমি। তবে ওদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়া উচিৎ ছিল।” বলেন তিনি।

এর পরে মামলাটি যখন পুরোপুরি বাতিল হয়ে গেল তখন তিনি নাম প্রকাশ করতে এগিয়ে এলেন যাতে ধর্ষণের শিকার অন্যরাও তার ঘটনা থেকে উৎসাহিত হয়।

“আমি বলবো যে এরকম একটা ঘটনার পরেও জীবন আছে। এর পরেও আপনি সমাজে ফিরে যেতে পারেন। পারেন খুব স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যেতে।”

মা নকুবঙ্গাও আশা করেন যে তার মেয়ের ধর্ষণকারীরা এই ঘটনা থেকে শিক্ষণীয় কিছু একটা পাবে।

“তাদের সাজা যখন শেষ হয়ে যাবে, আমি আশা করছি, তারা নিজেদের বদলে নতুন মানুষ হিসেবে সমাজে ফিরে যাবে। মানুষের কাছে তারা হয়ে থাকবে জীবন্ত উদাহরণ।” বিবিসি।

তুরস্কে বাস দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১৭ প্রশাসনকে ক্ষমতাসীনদের স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে: ড. কামাল কর সংগ্রহ নিয়ে ডিসি-রাজস্ব কর্মকর্তারা মুখোমুখি অবস্থানে ক্রিকেটকে খেলা মানতে নারাজ রাশিয়া! ‘চোরাই তেলসহ’ বিদেশি জাহাজ আটক করেছে ইরান পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আব্বাসি গ্রেপ্তার পুঁজিবাজারে লাভ-লসের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই: অর্থমন্ত্রী শিশু সজীবের মাথাহীন দেহ উদ্ধার, নিহত ঘাতকের পরিচয় মিলেছে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর ইসরালি বাহিনীর হামলা দ. আফ্রিকা সফরে মেয়েদের ইমার্জিং দল ঘোষণা উন্নয়নের নামে বল্গাহীন লুণ্ঠন চলছে: রিজভী মশার ভয়ে পরিকল্পনা কমিশনে যাচ্ছেন না অর্থমন্ত্রী! প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিনিয়োগকারীদের স্মারকলিপি পেশ ১৫ দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিনিয়োগকারীরা বদলে গেলো দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীর নাম এফ-৩৫ না দিয়ে অন্যায় করছে যুক্তরাষ্ট্র: তুরস্ক শিশুর মাথা কেটে নিয়ে পালানোর সময় পিটুনিতে যুবক নিহত রিফাত হত্যায় মিন্নি সরাসরি জড়িত: এসপি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, পরে বিয়ের আশ্বাস! সরল বিশ্বাসে কৃতকর্ম অপরাধ নয়: দুদক চেয়ারম্যান ধর্ষণ মামলার বিচার বিষয়ে হাইকোর্টের ৭ নির্দেশনা জাপানে অগ্নিহামলা! নিহত অন্তত ৩৩ ওয়াসার ১১ দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করেছে দুদক ‘হটলাইন কমান্ডো’ নিয়ে আসছেন সোহেল তাজ ওয়েলসে বক্সিংয়ে শিখ ও মুসলিমদের দাড়ির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হচ্ছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের খাদ্য ঘাটতি পূরণ করেছি, লক্ষ্য এখন পুষ্টির চাহিদা পূরণ: প্রধানমন্ত্রী রিফাত হত্যা: তৃতীয় আসামি রিশান ফরাজী গ্রেপ্তার আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি মিন্নির সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে রিং বাঁধের ৬০ মিটার ধসে গেছে