artk
বুধবার, এপ্রিল ২৪, ২০১৯ ১০:৫০   |  ১১,বৈশাখ ১৪২৬
শুক্রবার, মার্চ ২২, ২০১৯ ৫:৫৪

সাজ্জাদ সাঈফের ‘মায়ার মলাট’ থেকে একগুচ্ছ কবিতা

media

ঐ যে ঘাস থেকে উঁচু করে আছে মাথাটি, শান্ত সুবোধ সাপ, ঐ যে আলের ধারে কলমি পেঁচানো ডোবা, এর সবই আপাত শান্ত, আর আমাদের মগজটাই বিগড়ানো, আমরা শুধু শুধু ছোবল দেখছি চারপাশে, আর খেলতে গিয়ে মালতীর ছেলের পড়ে যাওয়া দেখছি ডোবায়, বিগড়েছে ষোলো কোটি মাথা, আর, তাতেই মিছিল-মিটিং-ধরপাকড়; এইভাবে প্রণয় ভুলে গেলে চলে? এইভাবে তামাশা?

ছাত্রমিছিল

ঐ যে ঘাস থেকে উঁচু করে আছে মাথাটি, শান্ত সুবোধ সাপ, ঐ যে আলের ধারে কলমি পেঁচানো ডোবা, এর সবই আপাত শান্ত, আর আমাদের মগজটাই বিগড়ানো, আমরা শুধু শুধু ছোবল দেখছি চারপাশে, আর খেলতে গিয়ে মালতীর ছেলের পড়ে যাওয়া দেখছি ডোবায়, বিগড়েছে ষোলো কোটি মাথা, আর, তাতেই মিছিল-মিটিং-ধরপাকড়; এইভাবে প্রণয় ভুলে গেলে চলে? এইভাবে তামাশা?

 

ভাটার ধোঁয়া এসে কালো করে দিচ্ছে স্কুল, আমাদের বাসাবাড়ি লাগে

সাথে প্রশস্তির বনফুল, সাথে মিছরির ছুরি! একটু ঝিমিয়ে ফের, চোখ তুলে 

বাচ্চাদের খেলাধুলা দেখছে দেশ, তার হাত কাঁপা কাঁপা, একি পার্কিনসন্স?

 

ঢাকায়, শিশুদের ভর করেছে মিছিলব্যাধি; প্ল্যাকার্ড লিখেছে কে, এতো গালাগাল?

অথচ রক্তটা শিশুতোষ, পুলিশের লাঠি, বাস শ্রমিকের ধাওয়া, সব মিলে ষোলো কোটি

বিগড়ানো মাথা, যেনো কেউ ঘাসের মধ্যে ঢিল মেরে ফুঁসলে দিচ্ছে সাপ, অনন্ত হতে রাহু

করোটির ভিতর এসে সেদ্ধ করছে স্নায়ু!

 

বাসের ধাক্কায় একটা নক্ষত্র

বাসের ধাক্কায় একটা ছায়াপথ

বাসের ধাক্কায় একটা বিভার প্রণালী নিঃস্ব হলো, কারো গলায় আটকালো না ভাত?

কারো চোখে ঝাঁপসা হলো না আলো? হে মাননীয় সংসদ!

বাংলা কবিতা

তোমাদের হাই হ্যালোর ভিতরে সেদ্ধ হচ্ছে হাওয়া, আর সেই হাওয়ার সাথে কতো কথা কই; আমার যাপন তোমাদের অচেনা, যেমন কাঁথার ভিতর নিঃশ্বব্দে ফুটে আছে ফুল, বরং আড়াই ঘর পেছনে এসে ঘোড়াটাকে ধরো- শতাব্দীর নিরবতায় যে আস্তাবল, লুকিয়ে রেখেছে নীলচাষ আর চাবুকের দাগ, শেকড় উপচে আসে কেঁচো, এ হলো নিমিত্ত; এর ওপর তোমাদের প্রতিষ্ঠানগুলি ফুলহাতা জামা পরে দাঁড়ানো, মাথার ওপর ছায়া দেয় তোমাদের প্রেস!

যেনো হেঁটে হেঁটে তুমি ওকে স্কুল দেখাচ্ছো, ওই পাড়ে বাঁশের আড়া পর্যন্ত ওয়ারিশ তুমি, মিথের আগুন থেকে আঁকিয়ে নিয়েছো ট্যাটু, ফুলবাবু হয়ে প্রতিদিন শাহবাগে যাও, ছবির হাঁটে গিয়ে শেয়ার করে চুরুট ধরাও, নারী বন্ধুটির গায়ে হেলান দিয়ে বসো, আর, এতেই নাকি তুমি নারীবাদী, অথচ চোখেমুখে লুকিয়ে রাখো পুরুষগরীমা; তোমার লেখাপত্র জড়ো করে হাত তোলো দেখি, সমালোচককে এগিয়ে দাও, দেখি মুরোদ তোমার!

বাংলা কবিতার বুকের ঢোর বড়, তোমার থ্যাবড়ানো মগজপ্রতিভা ভাঁজ করে রাখার জায়গা তার আছে, বরং সৈন্যগুলার সঠিক চাল দাও, পেনড্রাইভে জমা করো মুভি!

খাঁচায় সারারাত তন্দ্রাচ্ছন্ন পাখি, ডোরাকাটা পাখি; অনিদ্রাকে প্রেম বলে ডাকে!

আওয়াজ করে গলার রগগুলারে দেখাও, পারো তো লাফ দিয়ে পার হও বাংলা কবিতার আগুন!

বাক্যব্যাধি

এসব যে কেনো বলি? কেনো যে বাক্যব্যাধি, সমস্ত গোলাপে ছড়ায়? তার কিছু ব্যাখ্যা থাকা দরকার। কি করে বাগানে এলো, ছানিপড়া গ্লানির কোকিল!

এর ওপর মেঘের পর মেঘ, ধুলার পর ধুলা, টিবির জীবাণু, হাওয়ার কম্পাস এসে জমা হচ্ছে দিনকে দিন! যেনো এক কাঠের চশমা চোখে,ঘাড় তুলে বৃদ্ধ সৈনিক, দেখে পতাকার পৌরুষ। গান গায় শিশুরা, আর, এক বিজয় দিবসএসে মুখ ধোয় বিধবার চোখের পানিতে, যেনো তারা বৃষ্টিতে ভাসিয়ে দিচ্ছে বয়স্ক ভাতার কার্ড!

কেনোই বা বলছি এসব, কেনো সব মৃত নদী এসে ফোক ছেড়ে আশ্রয় নেয় মেটাল রকে, যেমন, তুমিও পিতার পাঁজর হতে বের করে আনছো তারার ছুরিটা, তাঁর চাওয়া ছিলো সামান্য পেনশন; তোমার বাড়িয়ে দেয়া হাতকেও, বারবার ফিরিয়ে দিচ্ছে ঠান্ডা চোখের অডিটরটি!

ছিন্ন কাঁথার নিচে, কাঁপছে চরাঞ্চল; এখানে মাঠের পর মাঠ জুড়ে খড়ের গন্ধ, আর, এক রুগ্ন বাঁশিতে যেনো নিস্ফল বাজনা ওঠায় মহাকাশ, ঠাণ্ডা বাতাস! এর ভিতর বাইকে করে আসে শ্রমিক নেতারা, মৌজ করে, মৌন আলোয় তারা হাসে, গজদন্ত; গ্লেস মারে ত্রাণের জ্যাকেট, গায়ে! 

গুমবর্ণ

আমাকে ছুঁতে এগিয়ে আসছে মৌরি ফুলের হাওয়া, পিছনে ধর্মের ঢাল, ক‌ওমী লেবাস, মৃতদের করোটি; আমাকে ধাওয়া করে গুমবর্ণিল নিউজ পেপার, আর, তোমরা যেখানে দেশলাই জ্বেলে একের পর এক ধরিয়ে যাচ্ছো সিগারেট, আমার কথায় গাত্রদাহ? মরিচের ফলন ভালো না। তোমাদের বৃষ্টির মতো কথার মশলা এই ধাওয়া আটকাবে?

আঁচ পেয়ে ফোস্কা পড়ছে ত্বকে? এরপর মৃত্যু নিয়ে কথা, বারো মুখে তেরো গল্প; সাতখুনে পাথরচাপা দিয়ে, বেসিনে হাত ধোয় জেলা বিচারক, জানালায় রক্তবর্ণ পর্দা, মুখে হাত চেপে আলোর নকশা কাটে বাংলাদেশের রোদ!

পৃথিবীকে এগিয়ে দিচ্ছি হাত, নদীপাড়ে পিলার পড়েছে।

আসন্ন গ্রীষ্মে, হাওয়া খাবে হাওয়া, দল বেঁধে, সেতুর ওপর!

আটপৌরে

যেভাবে শরীর গুটিয়ে বাঁচো

মনে হয় জনপদে নয়, তুমি আছো সাপের গর্তে কোন‌ও!

 

পরগাছা দিয়ে ভরে গেছে আঙিনা

শামুক হেঁটে আসে বুকে ভর দিয়ে-

 

বাঁচার জন্য তোমার সমস্ত আয়োজন

নগরনয়েজে ময়লা হয়ে আছে;

সন্ধ্যায় চায়ের টেবিলে জুড়ায়

অস্তিত্বের সঙ্কোচ!

 

যেভাবে পা ফেলতেছো এখন

মনে হয় গল্পের বুড়ি এসে

কাঁটা পুতে রেখে গেছে রাস্তায়!

 

ঘাড় গুজে বাজারে ঢোকো কেনো?

পৃথিবীকে মুখ দেখাতে গ্লানি? 

ফুলপ্রীতি, ভুলে গেছো হয়তো; 

 

কি নিয়ে ফিরছো ঘরে? তেল চালে ওজনের গাফিলতি? 

মেয়ের জন্য বাইন্ডিং করা খাতা?

কাজলার পাড়

(সোহাগী জাহান তনুকে)

আমরা হয়তো ভুলে যাবো কাজলার পাড়, বন্দের বিল আর হাঁটাঘোড়া দাঁবড়ে নেয়া স্কুল লাইফ; 

যে হাতে রণদীপিকার আলো, মানচিত্র গর্জে ওঠা কবিতা-কবিতা চিৎকার;

আমরা ভুলে যাবো সেই হাত!

 

যেদিন স্বপ্নের গোস্বা এসে ভীড় করে

সেদিন ঘুম আসে না রাতে, সেই স্বপ্নের পাশে

আয়েশ করে ঘুমায় হরিণ, গোলপাতা, পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইল!

 

যেদিন নিঃস্বতা পকেটে নিয়ে বাবা ফিরতেন

সেই দিনগুলি ভাবি, গাছপালা আঁকা স্টুডিওতে নিয়ে, আমাদের ফটো তোলা হতো!

 

ভালোবাসা, কোনো  রূপকথা হতে আমাদের গল্প শুনতে আসে, কথা শুনিয়ে যায়-

আর, অশেষ জোয়ার দুটি পাড়ে বাঁধা সম্ভব নয় নদীরও, ভালোবাসা হতে তীব্র আঘাত এসে ভেঙে ফেলছে 

লোহার বেড়ী; আর স্বাধীনতার সারা গায়ে ধর্ষিতার থ্যাঁতলানো যোনি, ধুলায় গড়াগড়ি খায়, আমরা ভুলে যাবো হয়তো!

ইয়েমেন

ইয়েমেন, শুকনো পাতায় বসা রক্তবলাকা- আমাকে জাগিয়ে রাখে, মরুবাগিচার ধারে; কাছে এক বারুদগন্ধ এসে, তন্দ্রাকে ধাক্কা দিয়ে ডাকে, স্বপ্নকে আড়ষ্ট করে; 

শিশুমৃত্যুর ভাষা, অযুত পিপার গায়ে, শুধু রক্ত, শুধু কলিজা এফোঁড় ওফোঁড় করা গ্রেনেডের কালি-

ইয়েমেন, পিপাসা গোপন করে শুদ্ধ গণিতে, শূন্যতা লেখা তুমি শিখে গেছো নাকি? সারা গায়ে ফুসকুড়ি নিয়ে হাঁটছে আরব! মানুষের বিশ্বাস থেকে, বিষাক্ত পিঁপড়া এসে

জড়ো করে রাখছে বালি!

আমাকে বিদ্ধ করো আর্তচিৎকারে, ইয়েমেন; খুলিতে বাজাও জোরে, আগুনধ্বনি; 

মক্কাকে তাওয়াফ করে থ্যাঁতলানো পিঞ্জিরা, মৃতের ক্বলব-

প্রতিধ্বনি শেষ হলে মাটিও ভিজছে খুনে, ক্রন্দনে!

 

চারদিকে কোলাহল, আগুন! আগুন!

মৃত্যুকে ডেকে বলো 'প্রভুর কসম'

বলো 'কুন, ফা-ইয়া কুন'!

হৃদয়

১.

যার যাবে সকল গল্প ফুরিয়ে

পরাজিতদের পানশালায়, তার শুধু মাতলামী দ্যাখে লোকে, তার শুধু অশ্রুত ক্ষত

চারপাশে কাতর তমসা জুড়ে, খাবি খায়, খাবি খায় ডুবে!

 

বিপন্ন মেঘের তলে রাঙা হয় সূর্যাস্ত, এরপর, ধীরে ঝরে বেলি ও বকুল; 

যার শুধু বেদনার আস্তিন কুয়াশালিপ্ত হলো, তার কাছে হাত পেতে বসি;

তার থাকে নাকি অনির্ণীত গান? হৃদয়ে লেপটে থাকে, স্বর ও লিপি কোনো ? 

 

হৃদয় এক সাইলেন্সার নাকি? বেদনাবন্ধনী, জড়াজড়ি তার গায়ে?

২.

হাতে ঠোসা পড়া রাখাল নাকি তুমি? ঘাড় ধরে ধরে ছাগলগুলিকে বের করতেছো শীতে, একটা হাওয়ার পুটলি এসে আটকে গেছে জানালায়, ওখানে আর্ত পাতাদের স্বান্তনা দেয় গাছের বাকল; এইসব গৃহপালিত গানে সুর করে অর্থকষ্ট- এইসব ঠোঁট চড়চড় করা হাসিতে বাঁধন দিয়ে তোমাকে স্বপ্ন দেখায় ক্ষুদ্রঋণ!

 

গেটলক বাসগুলি এইদিক দিয়ে, খুব আওয়াজ করে আগায়- মাঝেমধ্যে টায়ার লিক হয়ে

বিকট শব্দ হয়, ভয় পায় কন্যা, থ মেরে থাকে হৃদয়!

৩.

টেবিলের এপাশে বসে তুমি ওপাশটাকে পরিস্কার দেখতে পাচ্ছো, অথচ তোমার হাত ঘামছে না; তাড়াহুড়া নেই, যেনো গায়ের সমস্ত রক্তনালীতে ঢুকে গিয়ে নিজেকে খুঁজে বের করছো, একটি শিশুর ছায়াকে চোখের সামনে বেড়ে উঠতে দেখেছো তুমি, অটোরিকশায় করে একটা নক্ষত্রকে প্রতিদিন পাঠিয়েছো স্কুলে!

 

একটা আত্মগোপন বুকে নিয়ে তোমাকে হাঁটতে দেখি রাস্তায়, সামনে কোনো জিজ্ঞাসাকে দেখতে পাচ্ছো নাকি? লাউপাতা পেঁচিয়ে গিয়ে, টুপিপড়া দেখতে লাগে একতলার ছাদ, দেয়ালে ভোটের পোস্টার;

 

তোমার কোনোদিকে মন নাই- এতো কুয়াশা, এতো হার্ডব্রেক

একটুও নড়াচড়া নাই তোমার!

মোবাইল চুরি: সাংবাদিকদের আটকে রাখলেন শমী কায়সার অস্বাভাবিক কিছু দেখলেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাবেন: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ফুফু হামিদা খানমের ইন্তেকাল বাসা-বাড়িতে নতুন গ্যাস সংযোগ আর নয়: প্রতিমন্ত্রী ১০ জন নারীর মধ্যে সাতজনই পরকীয়ায় লিপ্ত শরবত খাওয়াতে আসা মিজানুরের ‘মানসিক সমস্যা’: ওয়াসার এমডি ডায়াবেটিস নিরাময় করতে জার্মানিতে অভিনব উদ্যোগ গেম অফ থ্রোনসের শুটিং হলো যে জাদুময় জায়গায় চাপমুক্ত থাকবে ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের শেয়ার হোল্ডাররা শ্রীলঙ্কার পুলিশ প্রধান ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে পদত্যাগের নির্দেশ ‘ধর্ষণ মহামারি আকার ধারণ করেছে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে’ মানুষের দাড়ি কি কুকুরের পশমের চেয়েও বিপজ্জনক? ৩০ এপ্রিল শাহাবাগে ঐক্যফ্রন্টের গণজমায়েত ভোটের মেশিন থেকে বের হলো সাপ শেখ হাসিনা আমাকে প্রতিবছর মিষ্টি পাঠান: মোদি বন্ড পণ্য অবৈধভাবে বিক্রি করছে অলিম্পিক এক্সেসরিজ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইভিএম ব্যবহারের বিকল্প নেই: সিইসি শেষবার জায়ানকে দেখতে শেখ সেলিমের বাসায় প্রধানমন্ত্রী সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কেডস ও কিপিং গ্লাভস দিলেন তামিম প্রক্টরের আশ্বাসে নীলক্ষেত ছাড়লেন সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা দ্বৈত কর পরিহার চুক্তিতে সম্মত বাংলাদেশ-মালদ্বীপ রণদা প্রসাদ হত্যায় অভিযুক্ত টাঙ্গাইলের মাহবুবুরের রায় যে কোনো দিন ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে রিট হাতিকে চাঁদা না দেয়ায় শূন্যে তুলে আছাড়, ইজিবাইকচালক মরণাপন্ন! পাবনায় তিন পুলিশ হত্যার দায়ে ৮ চরমপন্থীর যাবজ্জীবন অভিনেতা সালেহ আহমেদ আর নেই বিশ্বকাপ দল নিয়ে সমালোচনা বন্ধের আহ্বান তামিমের ৩শ রান চেজ করে জেতার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে: তামিম ঢাকায় এলো জায়ানের লাশ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন