artk
মঙ্গলবার, মার্চ ১৯, ২০১৯ ১১:০০   |  ৫,চৈত্র ১৪২৫
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২২, ২০১৯ ১০:০২

ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মায় আশঙ্কা

media

২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস এই দিনটিতে বিশ্ব জুড়ে যক্ষ্মা বিষয়ে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা প্রচার করা হয় কেন এই দিনটিকেই বেছে নেয়া হলো এর একটি ইতিহাস রয়েছে ১৮৮২ সালের এই দিনটিতেই বিজ্ঞানী রবার্ট কখ্জানিয়েছিলেন, তিনি যক্ষ্মার জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেছেন তাঁর এই আবিষ্কার যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্ত খুলে দেয়

জীবাণু আবিষ্কারের প্রায় ২০০ বছর হলেও বিশ্ব জুড়ে যক্ষ্মা এখনও মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব বলছে, মারাত্মক সংক্রামক যক্ষ্মা এখনও প্রতিদিন প্রায় ৪৫০০ জনের প্রাণ কাড়ছে ছাড়াও বিশ্বে ৩০ হাজার জন প্রতিদিন রোগাক্রান্ত হচ্ছেন তবে আশার কথা, এই রোগ প্রতিরোধ করা যায় এবং সারানোও সম্ভব যক্ষ্মার বিরুদ্ধে বিশ্ব জুড়ে লড়াই শুরু হয়েছে সেই লড়াইয়ের ফলও মিলেছে সেই লড়াইয়ে ২০০০ সাল থেকে প্রায় পাঁচ কোটি ৪০ লাখ রোগীর প্রাণ বাঁচানো গেছে কমানো গেছে ৪২ শতাংশ মৃত্যুর হার

যক্ষ্মার বিরুদ্ধে বিশ্ব জুড়ে লড়াইয়ে সামিল হয়েছে বিভিন্ন দেশ এই রোগ এবং রোগী সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে রাখা দরকার যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস এই জীবাণু সাধারণত ফুসফুসে আক্রমণ করে রোগের জীবাণু ছড়ায় বাতাসের মাধ্যমে এক আক্রান্ত থেকে আরেক আক্রান্তের শরীরে আক্রান্ত কাশলে, হাঁচলে বা থুতু ফেললে জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে যায় এই রোগের জীবাণুর সংক্রমণের ক্ষমতা খুবই বেশি বাতাসে ছড়িয়ে পড়া জীবাণুর কিছু যদি কোনো সুস্থ মানুষের শরীরে শ্বাসের মাধ্যমে ঢোকে তাহলে তিনি আক্রান্ত হবেন

একটি আশঙ্কাজনক তথ্য হলো, বিশ্বের চার ভাগের এক ভাগ মানুষের শরীরে যক্ষ্মা রোগের জীবাণু সুপ্ত থাকে এর মানে হলো, ওই মানুষগুলো জীবাণুতে আক্রান্ত কিন্তু এখনও পর্যন্ত তারা অসুস্থ হননি এবং এই রোগ তাদের মাধ্যমে ছড়ায়নি এই আক্রান্তদের -১৫ শতাংশের সারা জীবন ধরেই রোগের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় যারা এইচআইভি আক্রান্ত, অপুষ্টির শিকার বা ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তামাক সেবনকারীদেরও অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল

যক্ষ্মার একটি মুশকিল রয়েছে রোগের লক্ষণগুলো বেশ কয়েক মাস খুবই কম থাকে এই কারণেই চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হয়ে যায় আর অন্যের মধ্যেও ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে একজন যক্ষ্মা রোগী অন্তত ১০-১৫ জনকে সংক্রামিত করতে পারেন ঠিক মতো চিকিৎসা না হলে এইচআইভি আক্রান্ত নন এমন ৪৫ শতাংশ রোগীর যক্ষ্মায় মৃত্যু হতে পারে এইচআইভি আক্রান্তদের প্রায় সকলেই ঠিক মতো চিকিৎসা না পেলে মারা যেতে পারেন

যক্ষ্মা সাধারণত প্রাপ্ত বয়স্কদেরই হয় তারা যখন সবথেকে বেশি ক্রিয়াশীল থাকেন তখনই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় তবে সব বয়সিদেরই যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ২০১৭ সালের ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত ১০ লাখ বাচ্চা যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছে মারা গেছে ২৩ লাখ বাচ্চা ২০১৭ সালে ৮৭ শতাংশ নতুন যক্ষ্মা রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে এই রোগীরা ৩০টি দেশের যে দেশগুলোয় এই রোগীর সংখ্যা বেশি, এর মধ্যে আটটি দেশে বিশ্বের দুই তৃতীয়াংশ যক্ষ্মা রোগীর বাস দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানও রয়েছে

যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ কী? কীভাবে রোগ নির্ধারণ করা হয়? সাধারণ লক্ষণ হলো, কাশির সঙ্গে শ্লেষা এবং রক্ত ওঠা সেই সঙ্গে বুকে ব্যথা, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, রাতে ঘাম হওয়া ইত্যাদি বেশির ভাগ দেশ এখনও পর্যন্ত দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পদ্ধতি মেনে থুতু পরীক্ষা করে দেখে থুতুর নমুনা অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পরীক্ষা করে দেখা হয় তাতে যক্ষ্মার জীবাণু রয়েছে কিনা এর একটাই অসুবিধে এই পদ্ধতিতে রোগের অর্ধেক জীবাণু ধরা পড়ে

বিশেষজ্ঞেরা জানিয়েছেন, যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা রয়েছে মাসের কোর্স রয়েছে কিন্তু এই রোগের চিকিৎসায় স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়মিত নজরদারি সহায়তা প্রয়োজন এই সহায়তা ছাড়া চিকিৎসা বেশ কঠিন তাতে রোগ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায় সঠিক চিকিৎসা এবং ওষুধে বেশির ভাগ যক্ষ্মা রোগীই সেরে উঠেছেন

বিশ্বে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসায় বর্তমানে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে সেটি হলো, যক্ষ্মার জীবাণুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা ঠিক মতো ওষুধ না খাওয়া এবং নিম্নমানের ওষুধ খাওয়ার কারণে এই রোগ ছড়ায় তাই যক্ষ্মা রোগে নিয়ম মেনে ওষুধ খাওয়া খুবই দরকার

চলতি বছরের যক্ষ্মা দিবসের থিম হলএটাই সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তার সহযোগী সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের লক্ষ্যই হলো, ‘খোঁজা, সকলের চিকিৎসা, যক্ষ্মা নির্মূল করা প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা মেলে দুসপ্তাহের বেশি কাশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত সরকারি হাসপাতালগুলোয় যক্ষ্মার চিকিৎসা মেলে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের পরামর্শ মেনে নিয়মিত ওষুধ খাওয়া প্রয়োজন ওষুধ খাওয়ার অনিয়মেই শক্তিশালী হয় নতুন ধরনের যক্ষ্মার জীবাণু রোগ লুকানো অনুচিত

বিলাইছড়ি উপজেলা আ.লীগের সভাপতিকে গুলি করে হত্যা রাজধানীতে প্রাইভেটকার চালককে গুলি করে হত্যা বছরে ২ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে মেরিন গ্রাজুয়েটরা রাজধানীতে বাসচাপায় বিইউপি শিক্ষার্থী নিহত রাতে সুনিদ্রার সহজ কিছু কৌশল সুখী হওয়ার ৫ উপায় কাব্য বিলাস মঞ্চায়ন করল ‘হইয়া গেল নির্বাচন’ ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারির বিষয়ে সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার ডাকসুর প্রথম সভা ২৩ মার্চ সিডনিতে ‘বহুজাতিক বৈশাখী মেলা’ ১৩ এপ্রিল বিএনপির আরো ৫ নেতা বহিষ্কৃত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে সজনে ডাটা স্তন ক্যান্সার শনাক্তকারী বক্ষবন্ধনী আবিষ্কার চট্টগ্রামে তিন নারী ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার জিয়া ভোটের রাজনীতিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে: হাসিনা ট্রেনের ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: রেলমন্ত্রী নেদারল্যান্ডসে হামলাকারী তুরস্কের নাগরিক রাতে সিল মারা ঠেকাতে ব্যালট পেপার যাবে সকালে: ইসি সচিব ভুয়া মামলাকারীর বিরুদ্ধে চার্জশিট নাচের লড়াইয়ে মাধুরী-আলিয়া, জিতল কে? পুঁজিবাজার মন্দার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ক্রাইস্টচার্চে নিহতদের জন্য দোয়া, মনোবিদের কথা ভাবছে বিসিবি টালিউডের সৃজিতকে বিয়ে করছেন মিথিলা! টেস্ট জিতে আফগানদের ইতিহাস ডাকাতের কবলে রোজী সিদ্দিকী শিষ্যদের রেখে ফিরে গেলেন রোডস-শ্রীনিবাসন বলিউডে কার অভিষেক হচ্ছে? বিদেশ সফরে নিরাপত্তার বিষয় সবার আগে: বিসিবি শ্রীলঙ্কায় দ্বি-পাক্ষিক সাইডলাইন বৈঠকে দুদক চেয়ারম্যান রাঙ্গামাটিতে ভোট শেষে গুলি, প্রিসাইডিং অফিসারসহ নিহত ৬