artk
শনিবার, মার্চ ২৩, ২০১৯ ৭:৪৪   |  ৯,চৈত্র ১৪২৫
সোমবার, ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০১৯ ১:০৯

শ্রীনগরে বেচাকেনা হচ্ছে আশ্রায় প্রকল্পের ঘর!

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা
media

আমি এখানকার সভাপতি হওয়ার আগেও ঘর বিক্রি হয়েছে; এখনো হয়। তার ঘরটিও তার নামেই বরাদ্দ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন

শ্রীনগরে সরকারের দেয়া হতদরিদ্রদের আশ্রায় প্রকল্পের ঘর বেচাকেনা করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়নের নতুন বাজার (কলাগাইচ্ছা) এলাকায় সরকারি অর্থায়নে ওই প্রকল্পে তৈরি করা হয় হতদরিদ্রদের জন্য ৪৫টি ঘর। বসবাসের জন্য পরিপূর্ণভাবে শোবার ও রান্না করাসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে ওই টিনসেট ঘরগুলোতে।

খবর পাওয়া গেছে, আশ্রায় প্রকল্পের সভাপতি নুরু শেখ ও সদস্য আজিবরসহ একটি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে টাকার বিনিময় ঘর কেনাবেচা করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আরিয়ালবিলের পাশে আশ্রয় প্রকল্প কেন্দ্রটিতে বসবাস করছেন বিভিন্ন পরিবার। লক্ষ্য করা গেছে ঘরের মধ্যে শোবার ও রান্না করার সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তার পরেও বসবাসকারীর অনেক পরিবার সরকারি আইন লঙ্ঘন করে ওই ঘরের সিস্টেম ভঙ্গ করে বাহিরে তাদের ইচ্ছে মতো জায়গা দখল করে আবাসন তৈরি করছেন।

এসময় আশ্রয় প্রকল্পে বসবাসকারী আজিবর শেখ, নারগিস বেগম, শাহিন শেখ, কল্পনা বেগম মনখুশিসহ অনেকেই বলেন, ঘরের ভিতর থেকে রান্না করার রুম ভেঙে বাহিরে নিয়ে এসেছি। এখানকার সবাই তা করছেন।

পাশেই নতুন টিনের ঘর তোলার বিষয়ে জানতে চাইলে আজিবর বলেন, থাকার সমস্যা তাই ঘর তুলেছি।

টাকার বিনিময় এখানে ঘর বিক্রির বিষয়ে তিনি জানান, ৮০ থেকে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে এখানে ঘর বিক্রি করা হয়েছে।
আজিবর আরো বলেন, কমিটির সভাপতি মো. নুরু শেখও ঘর ক্রয়সূত্রে এখানে বসবাস করছেন। তার মতো অনেকেই এখানে ঘর কেনাবেচা করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা সরেজমিনে গিয়ে আশ্রয় প্রকল্পের ঘরের মধ্যে কোন প্রকার সিস্টেম ভেঙে আলাদাভাবে স্থাপনা করতে নিষেধ করলেও মানা হচ্ছে না।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের হরপাড়ার আজিবর ওই আশ্রয় প্রকল্পের এফ-৫ রুমে বসবাস করছেন। তিনি এর বাহিরেও আলাদাভাবে টিনের ঘর, রান্না ঘর তুলেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ নূরু ও আজিবর ঘর কেনাবেচায় সহযোগিতা করে সুবিধা ভোগ করেন। এমন আনেকেই রয়েছেন কেন্দ্রের সিস্টেম ভঙ্গ করছেন। এছাড়া কেউ কেউ ভাড়া দিয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে নেয়া উচিত।

প্রকল্পের সভাপতি মো. নূরু শেখের কাছে জানতে চাইলে ঘর কেনাবেচার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, আমি এখানকার সভাপতি হওয়ার আগেও ঘর বিক্রি হয়েছে; এখনো হয়। তার ঘরটিও তার নামেই বরাদ্দ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের ঘর কেনাবেচা করার কোন সুযোগ নেই। যদি কেউ না থাকতে চায় তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানাবে। পুনরায় অন্য কোন হতদরিদ্র পরিবাকে সেখানে থাকার ব্যবস্থা করা হবে। যদি কেউ প্রকল্পের ঘর কেনাবেচা করে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে দেশ: খোকন নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে বিজেপিতে যোগ দিলেন গম্ভীর সাব্বিরের অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সে শাইনপুকুরের বড় জয় এত সস্তা পোশাকে কারিনার! সড়ক-পরিবহন নিয়ে যারা কাজ করে, সবাই দায়ী: নাসিম ১২৫ উপজেলার নদীতে মিলছে ইলিশ ইমরান খানকে মোদির শুভেচ্ছা গাজীপুরে বাসচাপায় কলেজছাত্র নিহত রাজধানীর গুলিস্তানে ২ যুবক গুলিবিদ্ধ আর্থ সংকটে জেট এয়ারের ৫৪ ফ্লাইট বন্ধ! নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে নোবেল পুরস্কার দেয়ার দাবি গণতন্ত্রের ছদ্মবেশে জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছে আ.লীগ: ফখরুল শেখ হাসিনাকে ডাকসুর আজীবন সদস্য করার প্রস্তাব, নুরের আপত্তি বাংলাদেশে ‘স্কিনকোড’র বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু পুরো ঢাকা যেন টাইম বোমা না হয়: বেনজীর সিডনিস্থ ক্যাম্বেল টাউন সিটি কাউন্সিল পতাকা অর্ধনমিত থাকবে আইপিএল শুরু শনিবার, যে দুটি দল মাঠে নামবে ওবায়দুল কাদের সম্পূর্ণ সুস্থ একটি কবুতরের মূল্য ১২ কোটি টাকা! শাকিবের নতুন সিনেমা ‘হিটার’ সুবর্ণচরে গণধর্ষণ: রুহুল আমিনের জামিন বাতিল দুপুরমনি পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ডিভিডেন্ড ঘোষণা বাবু অভিনীত ‘মাস্তুল’র শুটিং সম্পন্ন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেন মুলার ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৪০ শতাংশ স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস করতে আদা চা ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৫৩ কোটি টাকা যুবলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫ ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে