artk
সোমবার, আগষ্ট ১৯, ২০১৯ ১২:২৩   |  ৩,ভাদ্র ১৪২৬

স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ফেব্রুয়ারী ৯, ২০১৯ ১২:১৭

কে আরমা দত্ত?

media

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে কুমিল্লা জেলায় আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন আরমা দত্ত। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সমাজকর্মী ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য।

জন্ম ও বংশপরিচয় 
আরমা দত্ত জন্মেছেন কুমিল্লায় পৈত্রিক বাড়িতে ১৯৫০ সালের ২০ জুলাই। বাবা সঞ্জীব দত্ত ছিলেন ‘পাকিস্তান অবজারভার’ পত্রিকার সাংবাদিক। মা প্রতীতি দেবী বিখ্যাত চিত্রপরিচালক ঋত্বিক ঘটকের যমজ বোন। কাকা দীলিপ দত্তই মূলত বিষয় সম্পত্তি দেখাশোনা করতেন। দাদা ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত আর একমাত্র ছোট কাকা দীলিপ দত্ত দুজনেই পাকবাহিনীর হাতে শহীদ হন মুক্তিযুদ্ধের সময়।

পারিবারিক জীবন
পারিবারিক জীবনে অনেক ঘাত প্রতিঘাত সামলেছেন আরমা দত্ত। দাদুর অসাম্প্রদায়িক আদর্শকে বাস্তবে রূপ দিতেই বিয়ে করেন অধ্যাপক মাহবুব আহমদকে। তিনি ছাত্র জীবনে তার দুই বছরের বড় ছিলেন। তাদের একটি কন্যা সন্তান- নাম এষা অরোরা। 

আরমা দত্তের দাম্পত্য জীবন খুব বেশিদিন টেকেনি। এরপর তিনি বিয়ে করেন সমীর গুণকে। দ্বিতীয় জীবনসঙ্গীকে পরিত্যাগ করে চলে আসতে হয় তাকে। বারবার ঘর ভাঙলেও ঘরের মায়া ছাড়তে পারেননি আরমা। পারিবারিক জীবন তার খুব প্রিয়। ঘরে আছেন মা, বিখ্যাত চলচিত্র ব্যক্তিত্ব ঋত্বিক ঘটকের যমজ বোন প্রতীতি দেবী, মানসিক প্রতিবন্ধী ছোট ভাই রাহুল দত্ত, কন্যা এষা অরোরা। এদের নিয়েই তার সংসার। তারা ছাড়াও কন্যাস্নেহে তিনি একই বাড়িতে লালন-পালন করেছেন আরো কয়েকজন কিশোরী ও তরুণীকে। এদের সবাইকে নিয়ে কেটে যাচ্ছে কর্মব্যস্ত জীবন।

শিক্ষাজীবন 
কুমিল্লা শহরের একটি আমেরিকান কনভেন্ট স্কুলে তার লেখা পড়ায় হাতেখড়ি। মাত্র সাড়ে তিনবছর বয়সে তিনি ওই স্কুলে ভর্তি হন। দাদা যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রী হবার পর তিনি বাংলা মাধ্যমে কিছুদিন ঢাকার ভিকারুননেসা স্কুলে লেখাপড়া করেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত চেয়েছিলেন, বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করে আরমা প্রকৃত বাঙালি হবেন। কিন্তু পরে ইংরেজি পড়ায় তার আগ্রহ দেখে আবার পাঠালেন কুমিল্লার কনভেন্টে। 

ম্যাট্রিক পাস করেছেন ১৯৬৬ সালে নবাব ফয়জুন্নেসা স্কুল থেকে। ইন্টার মিডিয়েট পাস করেছেন কুমিল্লা মহিলা কলেজ থেকে ১৯৬৮ সালে। সেই বছরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতত্ত্বে অনার্সে ভর্তি হন। অনার্স পরীক্ষা হবার কথা ছিল ১৯৭১ সালে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের কারণে সেটা এক বছর পিছিয়ে যায়। ১৯৭৩ সালে অনার্স পাস করেন। ১৯৭৪ সালে হন স্নাতকোত্তর।

কর্মজীবন
কর্মজীবন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে। দেড় বছরের মতো চাকরি করেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন তাকে ব্যথিত করে। সে সময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলুণ্ঠিত হয়। তিনি চলে যান কানাডায় স্বামীর কাছে। কিন্তু কানাডার আইনে পোষ্য হিসেবে কোনো কাজ পাওয়া তার জন্য জটিল হয়ে পড়েছিল। ১৯৮০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি আবার বাংলাদেশে চলে আসেন। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ তার কাছে তখনো অস্থিতিশীল ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও আর যোগ দেননি। এ অবস্থায় তিনি ইউএসএআইডিতে প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট হিসেবে যোগ দেন। দুই বছরের মতো সেখানে ছিলেন। তারপর ১৯৮৩ সালে যোগ দিলেন নরওয়েজিয়ান এইড নোরাডে। সেখানে তার পেশাগত উন্নয়ন ঘটে। ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি নোরাড- এ ছিলেন। এরপর ১৯৮৯ সালেই প্রিপ ট্রাস্টে যোগ দেন আরমা দত্ত। প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলেন ডেভিড পি করটেন। পরবর্তীকালে আরমা দত্তই প্রিপ ট্রাস্টের হাল ধরেন। বর্তমানে তিনি প্রিপ ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক।

অবদান 
১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর স্বাধীনতা সংগ্রাম যখন প্রবল আকার ধারণ করল তখন আরমা দত্ত দিনরাত সাংগঠনিক কাজ করতেন। ২০০১ সালে রাজনৈতিক কারণে যখন এদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন হয় তার বিপক্ষে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে তার প্রতিষ্ঠান প্রিপ ট্রাস্ট। এনজিওদের প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বাড়ানোর জন্যও কাজ করেছেন তিনি।

পেয়ারা পাড়তে গিয়ে স্কুলছাত্রীর করুণ মৃত্যু খুলনার সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ ভারত পরমাণু যুদ্ধ বাধাতে পারে: ইমরান খান রাঙামাটিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেনা সদস্য নিহত এক মাসেই তিনবার বাড়লো সোনার দাম ছাত্রদলের নেতেৃত্বে আসতে মনোনয়নপত্র কিনলেন ১০৮ জন ‘অদৃশ্য খুঁটির’ জোরে ৪ লাখ টাকার গাছ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি সিপিডির ভবনে এডিস মশার লার্ভা, ২০ হাজার টাকা জরিমানা শোক দিবসের আলোচনা সভা করবেন ড. কামাল চামড়া শিল্পে আপাতত সমস্যা নেই: শিল্পমন্ত্রী শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের রক্তদান সোমবার রাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন পুলিশের ২০ কর্মকর্তা এএসপির মেয়ের টেবিলের ওপর আঘাত হানলো কনস্টেবলের গুলি চামড়া বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্তে নেই আড়তদাররা দেশে এলো কলকাতায় নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ ২৪ ঘণ্টায় ১৭০৬ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে সাকিবের সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব নেই: মাহমুদউল্লাহ বিমানবন্দরে ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ধর্ষণ মামলায় খুলনার কর কমিশনারের ছেলে রিমান্ডে মওদুদ আহমদ এ যুগের শয়তান: কৃষিমন্ত্রী রেকর্ড গড়া টেস্টে কিউইদের ৬ উইকেটে হারালো শ্রীলঙ্কা জারিন খানকে বিয়ে করছেন সালমান! এফআর টাওয়ার দুর্নীতি মামলায় তাসভির গ্রেফতার লঙ্কানদের কাছে টাইগারদের লজ্জার হার আলোকচিত্রী শহিদুলের বিরুদ্ধে মামলায় হাই কোর্টের আদেশ বহাল নিজেই তৈরি করুন পছন্দের নেইল পলিশ ভেড়ার লোভে স্ত্রীকে দিলেন প্রেমিকের হাতে! ঈদ পরবর্তী কার্যদিবসে সূচকে উত্থান খাবার দিতে দেরি করায় ওয়েটারকে গুলি করে হত্যা