artk
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯ ৯:১৮   |  ১১,মাঘ ১৪২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সংবাদ ডেস্ক

রোববার, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯ ১০:৫৭

ট্রাম্প রাশিয়ার পক্ষে কাজ করেছেন কিনা, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল এফবিআই

media
ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি কিনা, সেই প্রশ্নও ছিল তখন তদন্তটি শুরু করার ক্ষেত্রে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাশিয়া ইস্যুতে এফবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস যে খবর দিয়েছে, তার নিন্দা জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প গোপনে রাশিয়ার পক্ষে কাজ করেছেন কিনা, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই তদন্ত শুরু করেছিল। কিন্তু সেই তদন্ত কতটা এগিয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

২০১৭ সালের মে মাসে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প এফবিআইয়ের পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করেন, সে সময় ট্রাম্পের আচরণে যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন বলে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

পত্রিকাটি আরও বলেছে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি কিনা, সেই প্রশ্নও ছিল তখন তদন্তটি শুরু করার ক্ষেত্রে।

এক টুইটবার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “এ ধরনের তদন্তের কোনো প্রমাণ বা কোনো কারণ নেই।”

হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি সারা স্যানডার্স এক বিবৃতিতে এমন তদন্তের বিষয়কে অবাস্তব বলে বর্ণনা করেছেন। সারা স্যানডার্স তার বিবৃতিতে জেমস কোমির সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেছেন, “জেমস কোমিকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। কারণ তিনি পক্ষভুক্ত ও নিন্দনীয় লোক ছিলেন। আর তার ডেপুটি অ্যান্ড্রু ম্যাককেবে যিনি তখন দায়িত্বে ছিলেন, তিনি একজন মিথ্যাবাদী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তাকে এফবিআই বরখাস্ত করেছিল।”

“প্রেসিডেন্ট ওবামা রাশিয়া এবং অন্যান্য বিদেশি প্রতিপক্ষকে আমেরিকাকে ধাক্কা দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তেমন নন, তিনি রাশিয়ার ব্যাপারে বেশ কঠোর।”

এফবিআই তাদের তদন্তে কি দেখতে চেয়েছিল?

নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, এফবিআই তাদের তদন্তে গুপ্তচরবৃত্তি এবং ফৌজদারি অপরাধ- এই দুটি বিষয় দেখতে চেয়েছিল।

একটি হচ্ছে, ট্রাম্প সচেতনভাবে আমেরিকার স্বার্থের বিরুদ্ধে ক্রেমলিনকে সহায়তা করেছিলেন কিনা, অথবা অসচেতনভাবে মস্কোর ফাঁদে পড়েছিলেন কিনা?

আর তদন্তের দ্বিতীয় অংশ ছিল জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার বিষয় নিয়ে।

জেমস কোমিকে বরখাস্তের ঘটনায় বিচারে কোন বাধা সৃষ্টি হয়েছে কিনা এবং এতে ফৌজদারি কোনো অপরাধ হয়েছে কি না?

এই দুটি বিষয়েই তদন্ত শুরু হয়েছিল বলে নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে।

সেই তদন্তে কি হয়েছিল?

জেমস কোমিকে বরখাস্তের পর পরই ২০১৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়া হস্তক্ষেপ এবং ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের সাথে আঁতাতের অভিযোগ তদন্তের জন্য স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলারকে নিয়োগ করা হয়।

রবার্ট মুলারের এই তদন্তের ক্ষেত্রেই গুপ্তচরবৃত্তি এবং ফৌজাদারি অপরাধের ইস্যুও যুক্ত করা হয় বলে নিউইয়র্ক টাইমস এর খবরে বলা হয়েছে।

পত্রিকাটি বলেছে, রবার্ট মুলার এখনো ট্রাম্পের সাথে রাশিয়ার আঁতাতের অভিযোগ তদন্ত করছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তবে তার সহযোগীদের ব্যাপারে তদন্ত অব্যাহত আছে।

ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবীর তিন বছরের সাজা হয়েছে।