artk
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯ ৯:১৮   |  ১১,মাঘ ১৪২৫

স্টাফ রিপোর্টার

সংবাদ ডেস্ক

শুক্রবার, জানুয়ারি ১১, ২০১৯ ১১:০৭

বইমেলায় ৬ শতাধিক স্টল বরাদ্দ

media
  • এবারের মেলার মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বিজয় : ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ এবং নবপর্যায়’। 

অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৯ এ অংশ নেয়ার জন্য ছয় শতাধিক স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪২টি প্যাভিলিয়ন। দেশের বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে এ সব স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়।

মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে এ সব স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়। অতীতের মতো বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই মাসব্যাপী এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

এবারের মেলার মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বিজয় : ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ এবং নবপর্যায়’। ১ ফ্রেুব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করবেন। মেলা চলবে পুরো ফেব্রুয়ারি মাস।

বাংলা একাডেমির পরিচালক ও অমর একুশে গ্রন্থমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ বলেন, “এবারের মেলার মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে বাঙালির বিজয়কে উপলক্ষ করে। বিজয়ের পঞ্চাশ বছর সামনে রেখে এই বিয়ষকে মূল থিম হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মেলার মূল মঞ্চে এ বিষয়কে ধারণ করে ধারাবাহিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে মহান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকরা অংশ নেবেন।”

তিনিব জানান, মেলায় অংশ নেয়ার জন্য দেশের প্রকাশনা সংস্থাগুলোকে বিভিন্ন মানের মোট ছয় শতাধিক স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বিভিন্ন মানের মোট ৪২টি প্যাভিলিয়ন। বড় প্যাভিলিয়ন ১০টি, ছয়টি ইউনিটের প্যাভিলিয়ন ১৩টি এবং চার ইউনিটের প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ পেয়েছে ১৯টি। এসব স্টল ও প্যাভিলিয়ন থাকবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। অন্যদিকে একাডেমির ভেতরে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ১০০ স্টল থাকবে।

বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমি পরিদর্শনকালে দেখা যায়, একাডেমির ভেতরে স্টলের কাঠামো ও মূলমঞ্চের কাজ অনেকটা সম্পন্ন হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্টল স্থাপনের উপকরণ এনে রাখা হয়েছে সেখানে একাডেমির লোকজন স্টল নির্মাণের প্রাথমিক কাজ করছেন সারাক্ষণ।

মেলা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহেমদ জানান, এবারের মেলার বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিজয় স্তম্ভ, গ্লাস টাওয়ারসহ পুরো বিজয়ের পুরো আঙ্গিনা মেলার সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দর্শনার্থীরা মেলা উপভোগের পাশাপাশি বিজয় স্তম্ভও প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।