artk
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯ ৮:০৪   |  ১১,মাঘ ১৪২৫

যশোর প্রতিনিধি

সংবাদ ডেস্ক

বুধবার, জানুয়ারি ৯, ২০১৯ ১২:৪৩

যশোরে স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনায় আটক কিশোর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

media

ছবি প্রতীকী

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন বলেন, “রোববার উপজেলার গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র তারিফ হোসেন (৯) অপহৃত হয়। এর পর তার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী।”

যশোরে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক কিশোর নিহত হয়েছে। স্কুলছাত্রকে অপহরণের পর মুক্তিপণের টাকা নিতে গিয়ে আটক হয়েছিল ওই কিশোর।

বুধবার ভোরে মনিরামপুর উপজেলার নেহালপুর সড়কে কামালপুর জোড়া ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

নিহত কিশোরের নাম বিল্লাল হোসেন (১৬)। উপজেলার খেদায়পুর গ্রামের মোস্তফা হোসেনের ছেলে। গত বছর এলাকার ভরতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষা দিয়ে ফেল করে সে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন বলেন, “রোববার উপজেলার গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র তারিফ হোসেন (৯) অপহৃত হয়। এর পর তার পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী।”

“মুক্তিপণের টাকা নিতে মঙ্গলবার দুপুরে কেশবপুরের একটি বিকাশের দোকানে যায় বিল্লাল হোসেন। সেখান থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতে তাকে নিয়ে জোড়া ব্রিজের কাছে তারিফের লাশ উদ্ধার করতে যায় পুলিশ। তখন বিল্লালের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলি করে। পুলিশ পাল্টা গুলি করলে বিল্লাল নিহত হয়।” যোগ করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। 

পরে ওই ব্রিজের নিচ থেকে তারিফের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি শটগান ও একটি গুলি ‘উদ্ধার’ করেছে।

পরে এ ঘটনায় লিমা বেগম (২০) ও মাসুম বিল্লাহ (২০) নামে আরো দুইজনকে আটক করা হয়।

নিহত তারিফ ও বিল্লালের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে অপহরণের সঙ্গে বিল্লালের জড়িত থাকার খবর পেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে ভরতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মজনুর রহমান বলেন, বিল্লাল তাদের বিদ্যালয় থেকে গত বছর জেএসসি পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছে।

তিনি বলেন, “বিল্লাল ভালো ছাত্র ছিল না। কিন্তু নিরীহ প্রকৃতির ছিল। তার চেহারা স্মরণ করলে এমন কিছু কল্পনা করা যায় না। আমি বিস্মিত হয়েছি।”