artk
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯ ৮:০৪   |  ১১,মাঘ ১৪২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সংবাদ ডেস্ক

বুধবার, জানুয়ারি ৯, ২০১৯ ৯:৫৪

যুক্তরাষ্ট্রের কেয়ার হোমে এক দশক ধরে চেতনাহীন রোগীর সন্তান প্রসব

media
  • “বাচ্চার জন্ম হওয়ার আগ পর্যন্তও স্টাফদের মধ্যে কেউ বুঝতে পারেন নি যে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা।” 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক কেয়ার হোমে এক দশকেরও বেশি সময় চেতনাহীন অবস্থায় থাকা এক রোগীর সন্তান জন্ম হয়েছে। এ নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়।

ঘটনার জেরে ওই কেয়ার হোমটির পরিচালনাকারী কোম্পানির প্রধান নির্বাহী পদত্যাগ করেছেন।

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিবিসি।

ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স শহরের কাছে। 

সেখানে হাসিয়েন্দা হেলথ কেয়ারের একটি ক্লিনিকে ওই নারী এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চেতনাহীন অবস্থায় ছিলেন এবং তাকে সার্বক্ষণিক সেবা দিতে হতো।

ওই নারী গত ২৯ ডিসেম্বর একটি সন্তান জন্মদান করেন। রোগীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

স্থানীয় টিভি চ্যানেল কেএইচ-ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রকে উদ্ধৃত করেছে। ওই সূত্র বলেছে, “আমি যেটা শুনছি তা হলো হঠাৎ করেই ওই রোগী গোঙাতে থাকেন এবং কেউ বুঝতে পারছিলেন যে তিনি কেন গোঙাচ্ছিলেন।”

“বাচ্চার জন্ম হওয়ার আগ পর্যন্তও স্টাফদের মধ্যে কেউ বুঝতে পারেন নি যে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা।” বলেন তিনি।

কেয়ার হোমের মালিক কোম্পানির নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট গ্যারি অরম্যান বলেন, “এই ভয়াবহ ঘটনার পুরোটা না জানা পর্যন্ত আমরা থেমে থাকবো না।”

প্রভাবশালী পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমসের একব খবরে বলা হয়েছে, ওই কেয়ার হোম সম্পর্কে কিছু নতুন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে বলা হচ্ছে, ‘ভিজিটেটভি স্টেটে’ থাকা এসব জ্ঞানহীন রোগীদের পোশাক পরিবর্তন বা তাদের গোসল করানোর সময় তাদের নগ্ন করে রাখা হতো এবং কোনো ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা হতো না।

এই ঘটনায় ফিনিক্স পুলিশের একজন মুখপাত্র বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং বলেন যে এই ঘটনা নিয়ে তাদের তদন্ত চলছে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর কেয়ার হোমের কিছু নিয়মকানুনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন কেয়ার হোম কর্মী কোনো নারী রোগীর কক্ষে ঢুকতে চাইলে তাকে একজন নারী সহকর্মীকে সঙ্গে রাখতে হবে।

কেয়ার হোম কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা পুলিশের তদন্তের সাথে পরিপূর্ণভাবে সহযোগিতা করছে।

হাসিয়েন্দা হেলথ কেয়ার তার ওয়েবসাইটে বলে থাকে, কঠিন অসুখে পড়া রোগী এবং দুর্বল নারী, শিশু, টিনএজার ও তরুণদের তারা সেবা দিয়ে থাকে।