artk
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯ ৮:০১   |  ১১,মাঘ ১৪২৫
শনিবার, সেপ্টেম্বার ৮, ২০১৮ ৯:৪৭

রাণীনগরে ৪০ প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে

media

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে ৪০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। এর ফলে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। অভিভাবকরা ওইসব বিদ্যালয়ে পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

প্রধান শিক্ষক না থাকার সুযোগে সহকারী শিক্ষকদের স্বেচ্ছাচারিতায় বিদ্যালয়গুলোর সঠিক পাঠদান পরিবেশ হারিয়ে গেছে বলে অনেকের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক বিহীন কিছু কিছু ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয় বছরের পর বছর তাদের ধরে রাখা সুনাম হারাতে বসেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা, উপজেলায় মোট ১০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ৪০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে এসব বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম। তবে প্রধান শিক্ষক না থাকার কারণে পাঠদানে কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, “পড়ালেখা শেখার ক্ষেত্রে শিশুদের প্রথম হাতেখড়ি হয় এসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সরকারি এসব বিদ্যালয় পড়ালেখার সুনাম অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছে। যার কারণে গ্রাম পর্যায়ের অনেক অভিভাবক বর্তমানে তাদের সন্তানদের প্রাইভেট (কেজি) বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি করে দিচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক হচ্ছে একটি বিদ্যালয়ের অভিভাবক আর এই অভিভাবক না থাকায় স্কুলের প্রশাসনিক কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে এবং সহকারী শিক্ষকরাও সঠিকভাবে পাঠদান করান না। অভিভাবক ছাড়া এসব বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা নামকা ওয়াস্তে আসে আর যায়। তাই বিদ্যালয়গুলোর পাঠদানের সুষ্ঠু পরিবেশ ভেঙে পড়েছে চরমভাবে, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম।

অভিভাবকসহ অনেকেই বলেন, উপজেলায় প্রাথমিক পর্যায়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান ও সুষ্ঠু পাঠদানের পরিবেশ পুনরায় ফিরিয়ে আনতে হলে প্রধান শিক্ষকবিহীন এই বিদ্যালয়গুলোতে অতিদ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করতে হবে। তা নাহলে দিন দিন উপজেলার প্রাথমিক পর্যায়ের পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতোয়ার রহমান বলেন, “আমি অনেক বার প্রধান শিক্ষকবিহীন এসব বিদ্যালয়ের তালিকা ওপর মহলে পাঠিয়েছি। বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক খুব জরুরি। তবে বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক না থাকার কারণে পাঠদানের কোনো সমস্যা হবে না। কারণ এসব বিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসের কঠোর নজরদারি রয়েছে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এফএ