artk
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯ ৮:০৭   |  ১১,মাঘ ১৪২৫
বুধবার, সেপ্টেম্বার ৫, ২০১৮ ৪:৫৪

আলোকচিত্রী শহিদুলকে ডিভিশন দেয়ার নির্দেশ

media

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কারাগারে ডিভিশন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্ট। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার এই আদেশ দেন বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ।

শহিদুল আলমকে কারাগারে প্রথম শ্রেণির বন্দীর মর্যাদা দিতে নির্দেশনা চেয়ে আজই রিটটি আবেদনটি করেন তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সারা হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।
অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।

জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “শহিদুল আলমকে কারাগারে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে স্বরাষ্ট্রসচিব ও আইজি প্রিজনের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শহিদুল আলমকে কারাগারে ডিভিশনের বিষয়ে গত ২৭ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষ তা অনুমোদনের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গত ২৮ আগস্ট পাঠায়। তবে এখন পর্যন্ত কারা কর্তৃপক্ষের কাছে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষরসহ অনুমোদন আসেনি।”

তিনি জানান, এই দীর্ঘসূত্রতা ও প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা চেয়ে রিটটি করা হয়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে শহিদুল আলম এখন কারাগারে আছেন।

শহিদুল আলমের জামিন আবেদন শুনতে গতকাল মঙ্গলবার বিব্রত বোধ করেছেন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চের এক বিচারপতি।

বেঞ্চের একজন বিচারপতি বিব্রত বোধ করেছেন জানিয়ে আদালত বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আদেশ দেন। আইনজীবীরা বলছেন, এ অবস্থায় বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। প্রধান বিচারপতি বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিলে ওই বেঞ্চে আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

আইনজীবীরা বলেছেন, ওই মামলায় গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শহিদুল আলমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ১৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করা হলে ১১ সেপ্টেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখেন। এরপর ১৯ আগস্ট শুনানির তারিখ এগোনোর জন্য আবেদন করা হলে তা গ্রহণ করা হয়নি। এরপর ২৬ আগস্ট শহিদুল আলমের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চাইলে ওই আদালত শুনানির জন্য তা গ্রহণ করেননি। এ অবস্থায় হাইকোর্টে তার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয় ২৮ আগস্ট।

এর আগে ৫ আগস্ট দিন রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে তুলে নেয় ডিবি।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারের অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় ৬ আগস্ট শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। গত ১২ আগস্ট নিম্ন আদালত সাত দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন শহিদুলকে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে