artk
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯ ৮:০৬   |  ১১,মাঘ ১৪২৫
সোমবার, সেপ্টেম্বার ৩, ২০১৮ ৩:৩৮

নাইকো মামলায় খালেদাকে হাজির করতে পরোয়ানা

media

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা (প্রডাকশান ওয়ারেন্ট) জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার মামলাটির চার্জ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা কারাগারে আটক আছে জানিয়ে তার উপস্থিতির জন্য সময়ের আবেদন করেন তার আইনজীবীরা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল এ বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নিয়ে আদালতে আবেদন করবেন বলে জানান।

শুনানি শেষে ঢাকার বকশীবাজারের অস্থায়ী এজলাসে নয় নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মাহামুদুল কবীর আগামী ১১ অক্টোবর খালেদাকে আদালতে উপস্থিত করতে হাজিরা পরোয়ানা (প্রডাকশান ওয়ারেন্ট) জারির নির্দেশ দেন।

মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন।

পলাতক অন্য তিন আসামি হলেন-সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক ও নাইকো’র দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

গত বছরের ২০ নভেম্বর দুদকের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল খালেদাসহ মামলার ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানান।

কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন।

২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান।

অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

নাইকো ছাড়াও গ্যাটকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তা বাতিলের আবেদন জানিয়ে পৃথক পৃথক রিট করেছিলেন খালেদা জিয়া। এসব রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি মামলাগুলোর কার্যক্রম স্থগিত ও রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

কয়েক বছর ধরে স্থগিত থাকার পর মামলাগুলো সচলের উদ্যোগ নিয়ে রুল নিষ্পত্তির আবেদন জানায় দুদক। পরে গত বছর পৃথক পৃথক শুনানি শেষে মামলা তিনটি সচলের রায় দেন হাইকোর্ট।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসজে