artk
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯ ৮:০৯   |  ১১,মাঘ ১৪২৫
বৃহস্পতিবার, আগষ্ট ২৩, ২০১৮ ১২:৪৭

মেলবোর্ন আ. লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

media

মেলবোর্ন আওয়ামী লীগ, অস্ট্রেলিয়া জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

স্থানীয় সময় গত ১৮ আগস্ট (শনিবার) তিন ভাগে বিভক্ত এবারের শোক দিবসের আয়োজনে ছিল আর্তের সেবায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর একক চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।

স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি চলবে আগামী ২৫ তারিখ পর্যন্ত।

বঙ্গবন্ধুর জীবনের ওপর এক চিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন আমাদের নেতাকর্মী ও অতিথিরা। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

মেলবোর্ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে দলের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মো. রাশিদুল হক সবাইকে স্বাগত জানিয়ে কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করেন।

অতপর অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুসহ উনার পরিবারের সকল শহীদ, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দেশের জন্যে প্রাণ দেয়া সকল শহিদদের জন্যে দোয়া করা হয়। এর পর সকল শহিদ স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এরপর এক তথ্য ও গবেষণামূলক আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোল্লা মো. রাশিদুল হক (সাধারণ সম্পাদক, মেলবোর্ন আওয়ামী লীগ)। তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা করা ছাড়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে খুন করায় দেশের যে ২৮৮ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে তাই নয়, বাংলাদেশ আজকে মালয়েশিয়া বা সিঙ্গাপুরের মতো উন্নত নয় তার কারন বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের কারণে জাতি আজ মাথা তুলে পরিচয় দিতে অপারগ কেননা অল্প কিছু মানুষের ঘৃন্য কাজের জন্যে পুরো জাতিকে আজ এই অপবাদ মাথায় নিয়ে চলতে হচ্ছে।

তিনি বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের বিচার দাবি করেন।

সমাপনী বক্তব্যে ড. মাহবুব আলম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের জন্যই আজ আমরা একটি গর্বিত স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পেরেছি। আজ যদি দেশ স্বাধীন না হত তাহলে হয়ত আমরা আর আমাদের সন্তানেরা ফিলিস্তিনি শিশুদের মত রাস্তায় গুলি খেয়ে মারা যেতাম। আমাদের কোন ভবিষ্যত থাকত না।

তিনি বঙ্গবন্ধুর এত বড় নেতা হওয়ার পিছনে অনেকের অবদানের মধ্যে বেগম মুজিবের বিশাল অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন তাঁদের ৩৪-৩৫ বছর দাম্পত্য জীবনে ১৩ বছরের অধিক সময় বঙ্গবন্ধু জেলে কাটিয়েছেন, সেই সময় বেগম মুজিব তাঁদের সংসার আগলে রেখেছেন আর বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে উৎসাহ যুগিয়েছেন।

অনুষ্ঠান শেষে সভার জন্যে এক নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএস