artk
রোববার, সেপ্টেম্বার ২২, ২০১৯ ২:৩৮   |  ৭,আশ্বিন ১৪২৬
শুক্রবার, মে ১, ২০১৫ ৭:৪৭

পাঁচবছর বন্ধ মিল, শ্রমিকদের বকেয়া ৬ কোটি টাকা

media

খুলনা: ২০১০ সালে খুলনায় বন্ধ হয়ে যাওয়া দাদা ম্যাচ কারখানা চালুর ঘোষণা এবং শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর মিল পরিদর্শন ও আশ্বাসের আট মাস কেটে গেলেও মিল চালুর কোন সম্ভাবনা দেখা যায়নি।

কবে নাগাদ মিলটি চালু হবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। ফলে বন্ধ থাকা এ ফ্যাক্টরির সাড়ে ৭০০ শ্রমিক-কর্মচারীর অপেক্ষা আর শেষ হয়নি। শ্রমিকেরা এখন পাওনা বুঝে পাওয়ার আশায় দিন গুনে ধার, দেনা, দিনমজুরী, রিক্সা চালিয়ে কোনমতে সংসার চালাচ্ছেন।

মিলের ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম শাহাদাত বলেন, “মিল বন্ধের পর অপেক্ষায় থাকতে থাকতে অর্ধাহারে-অনাহারে ৭৩ জন শ্রমিক মারা গেছে। হয়তো আমাদেরও এমন পরিণতি হবে। আমি শ্রমিকদের মুখ দেখাতে লজ্জা পাচ্ছি। তাদের অনেক আশা দিয়েছি; এখন আর পারছি না। আমাদের পাওনা মিটিয়ে বিদায় দেয়া হোক। অন্ততঃ কষ্টার্জিত বকেয়া পাওনা পেলে সান্ত্বনা নিয়ে মরতে পারবো।”

তিনি জানান, মিল কর্তৃপক্ষের কাছে শ্রমিকদের প্রায় ৬ কোটি টাকার উপরে পাওনা রয়েছে।

২০১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর শিল্পমন্ত্রী দাদাম্যাচ ফ্যাক্টরি, নিউজপ্রিন্ট মিলসহ বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করে শ্রমিকদের বন্ধ মিল চালুর আশ্বাস দেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতির আট মাস পার হয়েছে। ওই দিনে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর প্রতিশ্রুতি ‘দ্রুততম সময়ে দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি চালু হবে’ তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রূপসা নদীর তীরে রূপসা শিল্পাঞ্চল এলাকায় ১৯৫৬ সালে ১৮ একর জমির উপর সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ নির্ভর দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এরপর ১৯৮৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি ভাইয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছিলো। কিন্তু ২০১০ সালে ফ্যাক্টরি মালিক আব্দুল মারুফ সাত্তার ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি উৎপাদন ও ১৮ আগস্ট রাতের আঁধারে নোটিশ টানিয়ে ফ্যাক্টরির প্রায় সাড়ে ৭০০ শ্রমিকের দু’বছরের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করে বন্ধ করে চলে যান।
এরপর একে একে কেটে গেছে ৫ বছর। মালিক পক্ষের মামলা দায়ের ও তার সুরাহা হলেও মেলেনি শ্রমিকদের বকেয়া। এরপর মন্ত্রী, এমপি এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্যাক্টরি পুনরায় চালুর প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
 
সূত্রমতে, দাদা ম্যাচ পুনরায় চালুতে মূল সমস্যা এখন মালিকানা। ওই ফ্যাক্টরির ৩০ শতাংশ শেয়ার সরকারের থাকলেও বাকি ৭০ শতাংশ ব্যক্তি মালিকানায়। এটি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা খুব গতি পায়নি। ফলে ফ্যাক্টরি চালু বিষয়ে আগে যে অবস্থা ছিলো এখনও সেই অবস্থায় রয়েছে। এদিকে অপেক্ষায় হতাশ শ্রমিকরা বলেছেন, মিল চালু নয়, তাদের পাওনা মিটিয়ে বিদায় করা হোক।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএম

নারায়ণগঞ্জে ডিবির গুলিতে পোশাক শ্রমিক আহত ১৫ বছর বয়সে ধর্ষিত হয়ে বাড়ি ছেড়েছেন নায়িকা বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবেন না ধোনি সদলবলে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক কোহলিদের ভাতা দ্বিগুণ করলো ভারত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মিন্নি থানায় তরুণীকে গণধর্ষণ: সাবেক ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা লোহাগড়ায় তিন শিক্ষককে হাতুড়িপেটা বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে কড়া সমালোচনা জাতিসংঘে কুষ্টিয়ায় রিকশাচালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার আবৃত্তিকার কামরুল হাসান মঞ্জু আর নেই ক্ষমতায় টিকতে ১৩৪ জনকে হত্যা যুবরাজের ‘বেঁচে থাকতে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হতে দেব না’ তেল শোধনাগারে হামলার প্রতিশোধ নেবে সৌদি আরব ‘মিসেস বাংলাদেশ’ হলেন মুনজারিন অবনী টেকনাফে আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা দম্পতি নিহত বাগেরহাটে ধর্ষণ মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার পানির নিচে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু লাইবেরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে কুরআন তেলাওয়াতরত ২৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু ভারত থেকে অস্কারে যাচ্ছে ‘গাল্লি বয়’ সাকিব তাণ্ডবে আফগানদের বিরুদ্ধে জয় পেল টাইগাররা শিবপুরে মদপানে দুই শ্রমিকের মৃত্যু পাটগ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে কলেজছাত্রীর অবস্থান চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া সংসদেও জুয়ার আসর ১৩০টি দেশ ভ্রমণ করেছেন এই অন্ধ পর্যটক ৪০ কোটি টাকা নিয়ে পালানো সেই টার্কি বাবলু স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার দুর্নীতির দায়ে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল চলমান অভিযান জনমনে প্রত্যাশার সৃষ্টি করবে: টিআইবি স্কুল মাস্টারের ছেলে জি কে শামীমের ডন হয়ে ওঠা রাজধানীর ভূতের আড্ডায় অভিযান!