artk
শুক্রবার, মে ১, ২০১৫ ৭:৪৭

পাঁচবছর বন্ধ মিল, শ্রমিকদের বকেয়া ৬ কোটি টাকা

media

খুলনা: ২০১০ সালে খুলনায় বন্ধ হয়ে যাওয়া দাদা ম্যাচ কারখানা চালুর ঘোষণা এবং শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর মিল পরিদর্শন ও আশ্বাসের আট মাস কেটে গেলেও মিল চালুর কোন সম্ভাবনা দেখা যায়নি।

কবে নাগাদ মিলটি চালু হবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। ফলে বন্ধ থাকা এ ফ্যাক্টরির সাড়ে ৭০০ শ্রমিক-কর্মচারীর অপেক্ষা আর শেষ হয়নি। শ্রমিকেরা এখন পাওনা বুঝে পাওয়ার আশায় দিন গুনে ধার, দেনা, দিনমজুরী, রিক্সা চালিয়ে কোনমতে সংসার চালাচ্ছেন।

মিলের ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম শাহাদাত বলেন, “মিল বন্ধের পর অপেক্ষায় থাকতে থাকতে অর্ধাহারে-অনাহারে ৭৩ জন শ্রমিক মারা গেছে। হয়তো আমাদেরও এমন পরিণতি হবে। আমি শ্রমিকদের মুখ দেখাতে লজ্জা পাচ্ছি। তাদের অনেক আশা দিয়েছি; এখন আর পারছি না। আমাদের পাওনা মিটিয়ে বিদায় দেয়া হোক। অন্ততঃ কষ্টার্জিত বকেয়া পাওনা পেলে সান্ত্বনা নিয়ে মরতে পারবো।”

তিনি জানান, মিল কর্তৃপক্ষের কাছে শ্রমিকদের প্রায় ৬ কোটি টাকার উপরে পাওনা রয়েছে।

২০১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর শিল্পমন্ত্রী দাদাম্যাচ ফ্যাক্টরি, নিউজপ্রিন্ট মিলসহ বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করে শ্রমিকদের বন্ধ মিল চালুর আশ্বাস দেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতির আট মাস পার হয়েছে। ওই দিনে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর প্রতিশ্রুতি ‘দ্রুততম সময়ে দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি চালু হবে’ তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রূপসা নদীর তীরে রূপসা শিল্পাঞ্চল এলাকায় ১৯৫৬ সালে ১৮ একর জমির উপর সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ নির্ভর দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এরপর ১৯৮৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি ভাইয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছিলো। কিন্তু ২০১০ সালে ফ্যাক্টরি মালিক আব্দুল মারুফ সাত্তার ২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি উৎপাদন ও ১৮ আগস্ট রাতের আঁধারে নোটিশ টানিয়ে ফ্যাক্টরির প্রায় সাড়ে ৭০০ শ্রমিকের দু’বছরের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করে বন্ধ করে চলে যান।
এরপর একে একে কেটে গেছে ৫ বছর। মালিক পক্ষের মামলা দায়ের ও তার সুরাহা হলেও মেলেনি শ্রমিকদের বকেয়া। এরপর মন্ত্রী, এমপি এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্যাক্টরি পুনরায় চালুর প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
 
সূত্রমতে, দাদা ম্যাচ পুনরায় চালুতে মূল সমস্যা এখন মালিকানা। ওই ফ্যাক্টরির ৩০ শতাংশ শেয়ার সরকারের থাকলেও বাকি ৭০ শতাংশ ব্যক্তি মালিকানায়। এটি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা খুব গতি পায়নি। ফলে ফ্যাক্টরি চালু বিষয়ে আগে যে অবস্থা ছিলো এখনও সেই অবস্থায় রয়েছে। এদিকে অপেক্ষায় হতাশ শ্রমিকরা বলেছেন, মিল চালু নয়, তাদের পাওনা মিটিয়ে বিদায় করা হোক।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এমএম

যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল হুয়াওয়ে ‘ভারত বুঝুক, হারের পর সামনে এসে উল্লাস করলে কেমন লাগে’ মৎস্য কর্মকর্তা লাঞ্ছিত, উপজেলা চেয়ারম্যান বরখাস্ত নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ একই পরিবারের দগ্ধ ৮ নায়ক মান্না চলে যাওয়ার ১ যুগ করোনায় মৃত্যুর মিছিলে আরও ১০০ জন বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ২ মেডিক্যাল শিক্ষার্থী নিহত ইঁদুরেই খেয়েছে ১ লাখ মেট্রিক টন ফসল করোনাভাইরাস আতঙ্কে সিঙ্গাপুরফেরত স্বামীকে রেখে পালালেন স্ত্রী ঘুষের অভিযোগ থেকে সিনহাকে অব্যাহতি কোভিড ১৯: এবার তাইওয়ানে প্রথম মৃত্যু ভোটাররা দেরিতে ঘুম থেকে উঠায় ভোট হবে ৯টায়: ইসি সচিব এই সেলফি তোলার পরেই ট্রেনের ধাক্কায় স্কুলছাত্রের মৃত্যু করোনাভাইরাস: প্রযুক্তিই চীনের শেষ ভরসা সঞ্চয়পত্রে নয়, সুদ কমেছে ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের: অর্থ মন্ত্রণালয় বিশ্বকাপজয়ী ৬ ক্রিকেটার নিয়ে বিসিবি একাদশ ঘোষণা সিরাজগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩ চট্টগ্রাম, বগুড়া ও যশোর সিটিতে ভোট ২৯ মার্চ করোনাভাইরাস শনাক্তে বাংলাদেশকে উন্নত কিটস দেবে চীন একত্রে কাজ করবে ডিএসই ও সিএসই বিশ্রামে রিয়াদ, ফিরলেন তাসকিন-মোস্তাফিজ করের বকেয়া অর্থ না দেয়াও দুর্নীতি: দুদক চেয়ারম্যান দক্ষদের নিয়োগ দিচ্ছে টেসলা, ডিগ্রি না হলেও চলবে খালেদা জিয়ার প্যারোল আবেদন সরকার পায়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিকেন পক্স হলে কী খাবেন বাংলা তারিখ ব্যবহারে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট কারিগরি শিক্ষার্থীদের বেশি গুরুত্ব দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডিএসইএক্সের সেরা দ্বিতীয় উত্থান মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয় মেয়াদে শপথ নিলেন কেজরিওয়াল ফিটনেস ও নিবন্ধনহীন গাড়ি বন্ধে সব জেলায় টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ