artk

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, অক্টোবার ১৭, ২০১৯ ৫:৫৩

ট্রাম্পের চিঠি ‘ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন’ এরদোয়ান

media

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা একটি চিঠি ‘ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন’ বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৯ অক্টোবর এই চিঠিটি লেখা হয় এবং সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর এটা ওয়াশিংটন থেকে আংকারায় পাঠানো হয়।

চিঠিতে এরদোয়ানের উদ্দেশে ট্রাম্প লেখেন, “কঠিন হবেন না। বোকামি করবেন না।”

তুর্কি সংসদে বিবিসির সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এরদোয়ান ঐ চিঠি পুরোপুরিভাবে খারিজ করে দিয়েছেন।

ওই চিঠি যে দিন তুরস্কের হাতে পৌঁছায় সেই দিনেই তুর্কি সামরিক বাহিনী সীমান্ত অতিক্রম করে উত্তর সিরিয়ায় কুর্দি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

উত্তর সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা হয়েছে। অনেকেই বলছেন, এই প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে তুরস্কের সেনা অভিযানের প্রতি একটা ‘সবুজ সঙ্কেত’ দেয়া হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পের সমালোচনার একটা বড় অংশ এসেছে তার নিজের দলের কাছ থেকে।

বিরল এক ঘটনায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুটি দল যৌথভাবে আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে ভর্ৎসনা করেছেন।

সংসদের নিম্ন কক্ষ হাউজ অব রেপ্রেজেনটেটিভে বিরোধীদল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ১২৯ সদস্য বুধবার ট্রাম্পের নিন্দা করে যে ভোটের আয়োজন করেন- তাতে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি সদস্যরাও যোগ দেন।

সৈন্য প্রত্যাহার প্রশ্নে মার্কিন সংসদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সাথে ট্রাম্পের বৈঠকে উত্তপ্ত তর্ক-বিতর্ক হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। বৈঠকের এক পর্যায়ে মিজ পেলোসি এবং সিনেট মাইনরিটি লিডার চার্লস শুমাখার বৈঠকে ছেড়ে চলে যান।

গত বুধবার ট্রাম্প মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের সেনা অভিযানে হস্তক্ষেপ করবে না, কারণ, সিরিয়ার সীমান্ত "আমাদের সীমান্ত না" এবং কুর্দিরাও "কোন ফেরেশতা নন।"

তুরস্ক গত সপ্তাহে যে অভিযান শুরু করে তার দু'টি লক্ষ্য: প্রথমত ওয়াইপিজি নামে পরিচিত কুর্দি-সিরিয়ান মিলিশিয়া বাহিনীকে হটিয়ে দেয়া। তুরস্ক কুর্দি মিলিশিয়াদের সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করে।

তুর্কি অভিযানের দ্বিতীয় লক্ষ্য: উত্তর সিরিয়ায় একটি 'নিরাপদ এলাকা' গড়ে তোলা যেখানে তুরস্কে বসবাসকারী প্রায় ২০ লক্ষ সিরিয়ান শরণার্থীদের এনে বসানো হবে।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কুর্দিরা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র শক্তি ছিল।

ঐ অঞ্চলের পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়লে সেখানে জিহাদি শক্তির পুনরুত্থান হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পুঁজিবাজারে সব ধরনের সূচক পতন মারা গেছেন হোসনি মোবারক প্রাথমিকে বৃত্তি পেলো ৮২ হাজার ৪২২ শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় জাবিরও না সিটি ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন চট্টগ্রামে ৩ ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড পৌর নির্বাচন: চাঁদপুরে আ.লীগের মেয়র পদপ্রার্থী জুয়েল এনু-রুপনের আরেক বাড়ির পাঁচ সিন্দুকে ২৬ কোটি টাকা ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় মুজিববর্ষে এশিয়া ও বিশ্ব একাদশে খেলবে যারা সিএসইর নতুন চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম বউয়ের পছন্দেই মুমিনুলের জার্সি নম্বর বদল জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ব্যবধানে হারালো টাইগাররা দুদক ক্ষমতাসীনদের প্রতি নমনীয়তা প্রদর্শন করে: টিআইবি ঢামেক থেকে নবজাতকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার সিরাজগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২ এনামুল-রুপনের আরেক বাসায় অভিযানের প্রস্তুতি র‌্যাবের ট্রাম্পের সফরের মধ্যেই রণক্ষেত্র দিল্লি, নিহত ৭ লাঞ্চ বিরতিতে ৫ উইকেটে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১১৪ বুধবার শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাচ্যনাটের ‘খোয়াবনামা’ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর ভারতের কাছে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু সালমাদের আ’লীগ নেতা এনামুল-রুপনের বাড়িতে মিললো ৫ সিন্দুকভর্তি টাকা ভাতঘুমে কমবে রক্তচাপ নিজের ড্রাইভারের নামেই মামলা দিলেন ময়মনসিংহের এসপি পাপিয়াদের দল থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করা হবে: আব্দুর রহমান নড়াইলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে হত্যা মদিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত মাইগ্রেনের ব্যথায় চা কফি এড়িয়ে চলতে হবে পবিত্র শবে মেরাজ ২২ মার্চ